Category: রাজনীতি

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার পর প্রথমবার কথা বললেন পুতিন ও পেজেশকিয়ান

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার পর প্রথমবার কথা বললেন পুতিন ও পেজেশকিয়ান

    যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল হামলার পর প্রথমবার কথা বললেন পুতিন ও পেজেশকিয়ান

    যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল–এর হামলার পর প্রথমবারের মতো উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ করেছেন ভ্লাদিমির পুতিনমাসুদ পেজেশকিয়ান

    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের মধ্যে টেলিফোনে এই কথোপকথন অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। খবর দিয়েছে রাশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা তাস

    ক্রেমলিনের প্রেস সার্ভিস জানায়, ফোনালাপের সময় দুই দেশের প্রেসিডেন্ট রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কূটনৈতিক ও সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ বজায় রাখার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

    ইরান–এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর এটিই রাশিয়া ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের প্রথম প্রকাশ্য যোগাযোগ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ফোনালাপ দুই দেশের কৌশলগত সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

  • ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানে বড় হামলার হুঁশিয়ারি

    ইসরায়েলে জরুরি অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের, ইরানে বড় হামলার হুঁশিয়ারি

    ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত প্রত্যাশার তুলনায় কঠিন হয়ে উঠেছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইসরায়েল–এর অস্ত্র মজুত কমে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শনিবার জানিয়েছে, ইসরায়েলের কাছে আনুমানিক ১৫ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের জরুরি অস্ত্র বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্যাকেজে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি লজিস্টিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা না করেই সরাসরি ইসরায়েলে পাঠানোর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইসরায়েল সরকারের কাছে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি বিশেষ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্যাকেজে বিএলইউ–১১০এ/বি বোমাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করবে।

    এদিকে ইরান–এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলারও ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শনিবার রাতেই ইরানের ওপর ‘এ যাবৎকালের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ চালানো হতে পারে।

    তিনি জানান, সম্ভাব্য এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব স্থাপনা ব্যাপকভাবে অকার্যকর করে দেওয়াই হবে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

    স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, ইরান বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি–এর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত প্রত্যাশার তুলনায় কঠিন হয়ে উঠেছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইসরায়েল–এর অস্ত্র মজুত কমে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

    মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শনিবার জানিয়েছে, ইসরায়েলের কাছে আনুমানিক ১৫ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের জরুরি অস্ত্র বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্যাকেজে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি লজিস্টিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা না করেই সরাসরি ইসরায়েলে পাঠানোর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইসরায়েল সরকারের কাছে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি বিশেষ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্যাকেজে বিএলইউ–১১০এ/বি বোমাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করবে।

    এদিকে ইরান–এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলারও ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শনিবার রাতেই ইরানের ওপর ‘এ যাবৎকালের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ চালানো হতে পারে।

    তিনি জানান, সম্ভাব্য এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব স্থাপনা ব্যাপকভাবে অকার্যকর করে দেওয়াই হবে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

    স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, ইরান বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি–এর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • “আমাদের মাকে ফিরিয়ে দিন, না হলে হত্যাকারীদের ফাঁসি দিন”

    “আমাদের মাকে ফিরিয়ে দিন, না হলে হত্যাকারীদের ফাঁসি দিন”

    কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়–এর নিহত শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা–র হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধনে আবেগঘন আকুতি জানিয়েছে তাঁর ছোট্ট সন্তানরা।

    আজ শনিবার সকালে কুষ্টিয়ার কুষ্টিয়া প্রেসক্লাব–এর সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে ১০ বছর বয়সী মেয়ে ইফফাত তাইবা কাঁদতে কাঁদতে বলে, “আমাদের মাকে ফিরিয়ে দেন। তা না হলে মায়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেন। আমার ভাইবোনগুলো রাতে ঘুমাতে পারে না। আমাদের মা রাতে কত আদর করে ঘুম পাড়িয়ে দিত। এখন আমাদের মা কোথায় পাব?”

    মায়ের হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধনে আসে ইফফাতের বাবা ইমতিয়াজ সুলতান এবং তার অন্য তিন ভাইবোন—জান্নাতুল বুশরা (৭), আবরার সাজিদ (৩) ও ১৩ মাস বয়সী আয়েশা। ছোট ছোট সন্তানদের কান্না ও আহাজারিতে মানববন্ধনের পরিবেশ হয়ে ওঠে আবেগঘন।

    সকাল ১০টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং পরিবারের ব্যানারে মানববন্ধন শুরু হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এই কর্মসূচিতে বক্তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এ সময় প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। অন্যথায় দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

    মানববন্ধনে নিহত শিক্ষকের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান অভিযোগ করে বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসিসহ তদন্ত কর্মকর্তাকে আমরা বিশ্বাস করতে পারছি না। তাঁরা বিভিন্ন ধরনের কথা বলছেন। তাঁদের প্রতি আমাদের কোনো আস্থা নেই।”

    গত বুধবার বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ দপ্তরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা (৩৫) নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার হন। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।

    এ ঘটনায় বুধবার দিবাগত রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় নিহত শিক্ষকের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তিনি অভিযোগ করেন, বিভাগের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ও নির্দেশে কর্মচারী ফজলুর রহমান এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

    মামলায় আসামি করা হয়েছে উম্মুল মোমেনিন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকারহাবিবুর রহমান–কে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এমন নৃশংস ঘটনা আর না ঘটে।

  • চাঁদাবাজি থেকে সরকারি প্রকল্পে বাধা: ময়মনসিংহে আইনের শাসনের পরীক্ষা

    চাঁদাবাজি থেকে সরকারি প্রকল্পে বাধা: ময়মনসিংহে আইনের শাসনের পরীক্ষা

    ময়মনসিংহ মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় গত ছয় মাসে একাধিক সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠে এসেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে চাঁদাবাজি,সশস্ত্র হামলা,সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বাধা,সাংবাদিক ও শিক্ষা– প্রতিষ্ঠানের প্রতি হুমকি,জোরপূর্বক লিখিত ও ভিডিও স্বীকারোক্তি আদায়। এই ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন,পুলিশ ও বিশেষ বাহিনীসহ গোটা আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কালানুক্রমিক অভিযোগ ও ঘটনায় চোখ রাখা যায়: ২৩ জুন ২০২৫ – মাদ্রাসায় চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি। পালপাড়া,১৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত মদিনাতুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসায় রাত ১০টার দিকে ২০–২৫ জনের একটি দল ১,৫০,০০০ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ৪ ডিসেম্বর ২০২৫ – সরকারি সড়ক নির্মাণে বাধা। আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কারিতাস মোড় পর্যন্ত নির্মাণ কাজ চলাকালীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ। পুলিশ মামলাটি গ্রেপ্তার সহ আদালতে পাঠালে পরদিন জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ – সংবাদকর্মীর প্রতিষ্ঠানে সশস্ত্র হামলা। বলাশপুরে ২টি ইজিবাইক ও নগদ ২০,০০০ টাকা লুট, ৫০ টাকার স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় এবং ভিডিও ধারণ করে “সংবাদ মিথ্যা” স্বীকার করানো হয়। পালপাড়া এলাকায় সরকারি জায়গা দখল–স্থানীয়দের অভিযোগ,একটি সরকারি খোলা জায়গা দখল করে সেখানে মাদক ব্যবসা ও অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এলাকাটি ধীরে ধীরে মাদককেন্দ্র ও অপরাধ সংঘটনের নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। ৬ জানুয়ারি ২০২৬ – পূর্ববর্তী ঘটনার প্রেক্ষিতে মোবাইল ভিডিও ধারণ করে “চাঁদা দাবির অভিযোগ মিথ্যা” স্বীকার করানোর চেষ্টা। ২০ জানুয়ারি ২০২৬ – ভোরে বাসায় অনুপ্রবেশ, ৩০,০০০ টাকা চাঁদা দাবিসহ লুটপাট ও ১০০ টাকার দুটি সাদা স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায়। অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থা: স্থানীয়রা জাহাঙ্গীর ওরফে “সুন্দরী জাহাঙ্গীর” ও তার সহযোগীদের নাম উল্লেখ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা হিসেবে পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব-১৪ ও সিআইডি তদন্তে নিয়োজিত। আইনগত কাঠামো: বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০,ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন ২০০৯ অনুসারে এসব অভিযোগ শাস্তিযোগ্য। বিশেষত চাঁদাবাজি, ডাকাতি,জোরপূর্বক লিখিত ও ভিডিও স্বীকারোক্তি আদায়,সরকারি সম্পত্তি দখল ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ আইনের আওতায় পড়ে।
    প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া বনাম বাস্তবতা: প্রশাসন চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। তবে পৃথক মামলার অগ্রগতি, ভুক্তভোগী সুরক্ষা এবং জামিন-পরবর্তী নজরদারি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়েছে,তা এখনও পরিস্কার নয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন: সরকারি জায়গা দখল করে অপরাধকেন্দ্র গড়ে ওঠার অভিযোগ সত্য হলে,তা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। মাদক বিস্তার, অপরাধচক্রের প্রভাব বৃদ্ধি এবং নাগরিক নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রমাণ ও ডকুমেন্টেশন: জিডি/এফআইআর নথি,ভিডিও ও অডিও প্রমাণ, সিসিটিভি ফুটেজ,সংবাদপত্র প্রতিবেদন এবং প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত। সুপারিশ:
    তাৎক্ষণিক: সমন্বিত তদন্ত টিম (পুলিশ + র‍্যাব + সিআইডি),ডিজিটাল প্রমাণ সংরক্ষণ,ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষা। দীর্ঘমেয়াদি: চাঁদাবাজি প্রতিরোধ টাস্কফোর্স,উন্নয়ন প্রকল্পে নিরাপত্তা প্রটোকল, জেলা পর্যায়ে জবাবদিহি প্রতিবেদন প্রকাশ।
    সর্বশেষ: যদি অভিযোগ গুলো সত্য প্রমাণিত হয়, তবে এটি আইনের শাসন,প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং নাগরিক নিরাপত্তার মৌলিক প্রশ্নে রূপান্তরিত। দ্রুত,দৃশ্যমান এবং নিরপেক্ষ তদন্তই জনমনে আস্থা পুনঃস্থাপন করতে পারে।

  • শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা জরুরি” – রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

    শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা জরুরি” – রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

    আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আবারও গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে এসেছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আরও সমৃদ্ধ হতে হবে। কেবল অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের মাধ্যমেই একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

    কৃষকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি উন্নত প্রযুক্তি ও উচ্চ ফলনশীল পদ্ধতি ব্যবহার করে পাট চাষে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, পাটের হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে আধুনিক চাষাবাদের কোনো বিকল্প নেই।

    • নতুন পণ্য: বাজারের চাহিদা অনুযায়ী মানসম্মত ও আধুনিক পাটজাত পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে।

    • সাশ্রয়ী ব্যাগ: পলিথিনের বিকল্প হিসেবে স্বল্পমূল্যে পাটের ব্যাগ উৎপাদন ও বিপণনে জোর দিতে হবে।

    • ব্র্যান্ডিং: তরুণ প্রজন্মকে তাদের সৃজনশীলতা ও ‘স্টার্টআপ’-এর মাধ্যমে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

    রাষ্ট্রপতির মতে, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত হয়ে পাটের সোনালী সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর এখনই সময়।

  • সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণে অনিশ্চয়তা: বিপাকে হাজারো বাওয়ালি

    সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণে অনিশ্চয়তা: বিপাকে হাজারো বাওয়ালি

    ৩ মার্চ থেকে সুন্দরবনে গোলপাতা সংগ্রহের উৎসব শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নৌকার ‘মাপ’ নিয়ে বন বিভাগের কড়াকড়িতে থমকে গেছে সব প্রস্তুতি। বছরের এই বিশেষ মৌসুমের আশায় লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এখন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন উপকূলীয় জনপদের বাওয়ালিরা।

    বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, গোলপাতা সংগ্রহের নৌকার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা হতে হবে ১,০০০ মণ (১৮৬ কুইন্টাল)। কিন্তু খুলনা রেঞ্জের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তাদের পরিমাপে দেখা গেছে, অধিকাংশ নৌকাই এই নির্ধারিত সীমার চেয়ে অনেক বড়।

    কেন এই কড়াকড়ি? বন কর্মকর্তাদের মতে, অতীতে অনেকে ৫০০ মণের রাজস্ব দিয়ে বড় নৌকায় ১৫০০-২০০০ মণ পাতা বহন করতেন। এমনকি পাতার নিচে লুকিয়ে বনের মূল্যবান কাঠ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। সুন্দরবন রক্ষায় এবার তাই নিয়মের কোনো ছাড় দিতে নারাজ কর্তৃপক্ষ।

    বাওয়ালিদের দাবি, প্রতিটি নৌকা প্রস্তুত করতে গড়ে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বাওয়ালি ফেডারেশনের তথ্যমতে, এই মৌসুমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    • বাওয়ালিদের প্রশ্ন: গত বছর একই নৌকায় অনুমতি মিললেও এবার কেন বাধা?

    • ক্ষোভ: গত জুন মাসে যখন নৌকার পাস নবায়ন করা হলো, তখনই কেন মাপ নেওয়া হলো না?

    সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান জানান, সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়মের বাইরে কিছুই করা হবে না। অন্যদিকে, পরিবেশবাদীরাও বনের ওপর চাপ কমাতে এই কঠোর অবস্থানের পক্ষেই মত দিয়েছেন।

    • অনুমতির সময়: ৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত (২৮ দিন)।

    • নির্ধারিত সীমা: সর্বোচ্চ ১,০০০ মণ ধারণক্ষমতার নৌকা।

    • বিপাকে: প্রায় ১০ হাজার মানুষ যারা এই পেশার ওপর নির্ভরশীল।


    আপনার কি মনে হয়? সুন্দরবন রক্ষার স্বার্থে বন বিভাগের এই কঠোর সিদ্ধান্ত কি সঠিক, নাকি বাওয়ালিদের জীবনজীবিকার কথা ভেবে কিছুটা ছাড় দেওয়া উচিত ছিল?

    আপনার মতামত কমেন্টে জানান। 👇

  • ৮০ বছর পর মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় রণতরী ধ্বংস!

    ৮০ বছর পর মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হামলায় রণতরী ধ্বংস!

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন। গত বুধবার শ্রীলঙ্কার অদূরে ভারত মহাসাগরে মার্কিন টর্পেডোর আঘাতে ইরানি যুদ্ধজাহাজ ‘আইআরআইএস ডেনা’ (IRIS Dena) সলিল সমাধি হয়েছে।

    ⚓ কী ঘটেছিল সেই সকালে?

    পেন্টাগনের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানি যুদ্ধজাহাজটির পেছনের অংশে একটি শক্তিশালী টর্পেডো আঘাত হানে। মুহূর্তের মধ্যে বিশাল জলরাশি আকাশে আছড়ে পড়ে এবং শক্তিশালী রণতরীটি মাঝখান দিয়ে দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই ভয়াবহ আক্রমণকে ‘নীরব মৃত্যু’ বলে অভিহিত করেছেন।

    📉 ফিরে দেখা ইতিহাস

    ইউএস নেভি হিস্ট্রি অ্যান্ড হেরিটেজ কমান্ডের তথ্যমতে, সর্বশেষ ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট মার্কিন সাবমেরিন ‘ইউএসএস টর্স্ক’ জাপানি জাহাজ ডুবিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৮০ বছর ধরে মার্কিন সাবমেরিনগুলো বিভিন্ন মিশনে ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করলেও, কোনো জাহাজ ডোবাতে টর্পেডো ব্যবহার করেনি।

    🚀 যে মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে

    মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, এই হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক ‘মার্ক-৪৮’ (Mark-48) হেভিওয়েট টর্পেডো।

    • ওজন: প্রায় ৩,৮০০ পাউন্ড।

    • কৌশল: এটি সরাসরি জাহাজে আঘাত না করে জাহাজের নিচে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। ফলে পানির নিচে সৃষ্ট গ্যাসের বুদ্বুদ আস্ত একটি যুদ্ধজাহাজের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।

    🆘 উদ্ধার অভিযান

    শ্রীলঙ্কার কোস্টগার্ড জানিয়েছে, তারা এ পর্যন্ত ৩২ জন ইরানি নাবিককে জীবিত উদ্ধার করতে পেরেছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, জাহাজটিতে মোট ১৮০ জন ক্রু ছিলেন। বাকিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

  • শান্তিগঞ্জে সাইফ উল্লাহ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    শান্তিগঞ্জে সাইফ উল্লাহ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শান্তিগঞ্জ ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপ-এর উদ্যোগে এবং দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ-এর এমআইপিএস প্রকল্পের সহযোগিতায় তরুণদের সামজিক উদ্যোগ প্রকল্পের আওতায় বৃহস্পতিবার সকালে শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হল রুমে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ওয়াইপিএজির সমন্বয়কারী মানসুর আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং শান্তিগঞ্জ ওয়াইপিএজির যুগ্ম সমন্বয়কারী সীমা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিগঞ্জ পিএফজির পিস এম্বাসেডর সিরাজ মিয়া, জিয়াউর রহমান জিয়া, শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি আবু সাইদ, জুলাই যুদ্ধা েআলী আহমদ দুলাল।

    বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কুদরত পাশা।

    সভায় জানানো হয়, পিএফজি উদার, অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদী ও সহনশীল সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ, সহিংসতা নিরসন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনির্মাণে সংগঠনটি বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জাতিগত সহিংসতা প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যায়ে শান্তি-সম্প্রীতি জোরদারে ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানানো হয়।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছাত্রনেতা তারাজুল হক রাসেল, জাহিদুল ইসলাম, খাইরুল আলম সাব্বির, ইকবাল হোসেন, আশরাফ উদ্দিন, কাওসার আলম, কবি আহমদ, শাওন, লিজা আক্তার, ঝুই রানী, আমিনা বেগম, রুহুল আমীন, আবু সাইদ, প্রমুখ।

    সভায় বক্তারা বলেন, আজকের এই তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজনের জন্য আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ। “সংঘাত নয়, শান্তি-সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি”-এই শ্লোগান শুধু একটি বাক্য নয়; এটি ভবিষ্যতের অঙ্গীকার। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—ঐক্যবদ্ধ থাকলে জাতি এগিয়ে যায়।

    তরুণরাই দেশের শক্তি ও পরিবর্তনের অগ্রদূত উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আজকের যুবসমাজ যদি সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে, তাহলে সংঘাতের সব দেয়াল ভেঙে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়া সম্ভব। শান্তি প্রতিষ্ঠা কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ নয়; এটি প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। বিশেষ করে তরুণরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতা সৃষ্টি, গুজব প্রতিরোধ এবং বিভেদের বদলে ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
    শেষে সবাইকে হিংসা ও বিভেদ পরিহার করে মানবতা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।##

    সাইফ উল্লাহ
    মোবা: ০১৭১২৪৫১৪৪৬
    তারিখ: ৫/৩/২৬

  • জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর

    জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর

    দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

    জামায়াতে ইসলামী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

    সংগঠনের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বিরোধীদলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান এবং জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম।

    এর আগে দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছে পল কাপুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন।

    বৈঠক শেষে তিনি এনসিপি এবং দুপুরে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আলোচনা এবং পরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইফতার মাহফিলেও তিনি যোগ দেবেন।

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী ইফতার মাহফিল

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী ইফতার মাহফিল

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, এতিম শিক্ষার্থী এবং আলেম-ওলামাদের সম্মানে পৃথক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন। দুটি ইফতারই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) দেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকদের সম্মানে প্রথম ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ঢাকায় কর্মরত কূটনৈতিক মিশনের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বর্তমান সরকার কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি দিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এই ইফতার মাহফিল সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

    এরপর শনিবার (৭ মার্চ) মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের সম্মানে দ্বিতীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, খরচ সাশ্রয়ের কারণে একই ভেন্যুতে একই স্টেজে দুটি ইফতার মাহফিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত কোনো খরচ করতে চান না।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে এবং ১০ মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে তা বাতিল করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অতীতে রমজানের প্রথম দিনে আলেম-ওলামা ও এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতার করতেন। সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন এবং রমজান মাসজুড়ে তাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।