Blog

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী ইফতার মাহফিল

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপী ইফতার মাহফিল

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, এতিম শিক্ষার্থী এবং আলেম-ওলামাদের সম্মানে পৃথক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন। দুটি ইফতারই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) দেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকদের সম্মানে প্রথম ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ঢাকায় কর্মরত কূটনৈতিক মিশনের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বর্তমান সরকার কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি দিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এই ইফতার মাহফিল সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

    এরপর শনিবার (৭ মার্চ) মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী ও দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের সম্মানে দ্বিতীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, খরচ সাশ্রয়ের কারণে একই ভেন্যুতে একই স্টেজে দুটি ইফতার মাহফিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত কোনো খরচ করতে চান না।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে এবং ১০ মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে তা বাতিল করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অতীতে রমজানের প্রথম দিনে আলেম-ওলামা ও এতিম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতার করতেন। সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন এবং রমজান মাসজুড়ে তাদের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

  • বিএনপির নেতাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    বিএনপির নেতাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য: নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

    কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ নিঃশর্ত ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির একজন সিনিয়র নেতাকে নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত ৯টা ১১ মিনিটে তিনি এ সংক্রান্ত পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ভিডিওটি নির্বাচনকালীন সময়ে একটি ক্লোজড গ্রুপে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে ৪ মার্চ এটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে একটি শিশুকেও কথা বলতে শোনা যায়, যা বিষয়টিকে আরও সংবেদনশীল করেছে।

    হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, “ভিডিওটির জন্য আমি নিঃশর্তভাবে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি। এটি করা কোনোভাবেই উচিত হয়নি। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন পুনরায় না ঘটে এবং রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে পারস্পরিক শালীনতা ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে—তা নিশ্চিত করতে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”

    তিনি আরও বলেন, “ফ্যাসিবাদ-উত্তর রাজনীতিতে ব্যক্তিগত আক্রমণ, ঘৃণা বা বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট করার সংস্কৃতিকে আমরা কোনোভাবেই সমর্থন করি না। সুস্থ, সহনশীল ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চাই সবার প্রত্যাশা।”

  • শর্তসাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল ফ্রান্স

    শর্তসাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল ফ্রান্স

    ইরানে হামলায় অংশ না নেওয়ার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ফরাসি সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

    ফরাসি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক সহায়তামূলক কিছু বিমানকে ফ্রান্সের একটি ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এসব বিমান ইরানে কোনো ধরনের হামলায় অংশ নেবে না—এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পূর্ণ নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে।

    ফ্রান্সের সামরিক সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অপারেশনাল সহায়তামূলক মার্কিন বিমানগুলো ফ্রান্সের ইস্ত্রেস বিমান ঘাঁটিতে অবতরণের অনুমতি পেয়েছে। তবে এগুলো যুদ্ধবিমান নয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ফ্রান্স স্পষ্টভাবে শর্ত দিয়েছে যে, এসব বিমান যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে পরিচালিত কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না। বরং সেগুলো কেবল ওই অঞ্চলে মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষামূলক সহায়তার কাজে ব্যবহৃত হবে।

    অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া। বুধবার (৪ মার্চ) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ অবস্থান জানায়।

    রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, ইরানে হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে যাতে ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়। এর ফলে তেহরান কিছু আরব দেশের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে, যা মানবিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়েছে।

    মস্কো এ ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি এমন দিকে ঠেলে দিচ্ছে যাতে আরব দেশগুলোকে এই সংঘাতে জড়িয়ে ফেলা যায়।

  • আজারবাইজানে ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল ইরান

    আজারবাইজানে ড্রোন হামলার অভিযোগ অস্বীকার করল ইরান

    আজারবাইজানের নাখচিভান অঞ্চলে ড্রোন হামলার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আজারবাইজানের দিকে কোনো ধরনের ড্রোন পাঠানো হয়নি।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা সব দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে, বিশেষ করে মুসলিম ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তাই আজারবাইজানের দিকে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তেহরান।

    এর আগে আজারবাইজান অভিযোগ করে, তাদের নাখচিভান অঞ্চলে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং এ বিষয়ে ইরানের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তবে ইরান ওই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে।

    আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে একটি ড্রোন নাখচিভানের বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে আঘাত হানে। একই সময় আরেকটি ড্রোন শাকারাবাদ গ্রামের একটি স্কুলের কাছাকাছি এলাকায় পড়ে।

    এ ঘটনায় দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরের কিছু অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে বলে দাবি করেছে আজারবাইজান।

    আজারবাইজান সরকার এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দাবি করেছে, ড্রোনগুলো ইরানের ভূখণ্ড থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তেহরানের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশটি এবং প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে।

    ঘটনার প্রতিবাদে আজারবাইজানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোজতবা দেমিরচিলোকে তলব করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের দাবি, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের শামিল। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাকু।

  • আজারবাইজানে ড্রোন হামলায় আহত ২, ইরানের কড়া সমালোচনা প্রেসিডেন্ট আলিয়েভের

    আজারবাইজানে ড্রোন হামলায় আহত ২, ইরানের কড়া সমালোচনা প্রেসিডেন্ট আলিয়েভের

    আজারবাইজানের নাখচিভান অঞ্চলে ড্রোন হামলায় দুইজন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইরানের তীব্র সমালোচনা করেছেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

    আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির স্বায়ত্তশাসিত প্রজাতন্ত্র নাখচিভানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবন, একটি স্কুল এবং আশপাশের কিছু এলাকা ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় জরুরি বৈঠকও আহ্বান করেছেন প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ।

    বিবৃতিতে আলিয়েভ অভিযোগ করেন, নাখচিভান অঞ্চলে ইরানি মনুষ্যবিহীন আকাশযান দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে এবং এর লক্ষ্য ছিল বেসামরিক মানুষ। তিনি এ ঘটনাকে ‘কুৎসিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানান।

    তিনি আরও বলেন, এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

    ঘটনার পর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়েছে। তবে ইরান এ অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। তেহরান জানিয়েছে, আজারবাইজানের ভূখণ্ডে তারা কোনো ধরনের ড্রোন হামলা চালায়নি।

  • ইবির শিক্ষিকা হত্যা: শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন, ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ইবির শিক্ষিকা হত্যা: শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন, ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের অন্তত ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা।

    বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকেরা এ তথ্য জানান। পরে নিহত শিক্ষিকার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমামের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ সময় সহযোগিতা করেন ডা. রুমন রহমান ও ডা. সুমাইয়া।

    চিকিৎসকেরা জানান, নিহত আসমা সাদিয়া রুনার গলার নিচে গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা তার মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বুক, পেট, হাত ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

    তাদের মতে, আঘাতের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার হাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তিনি নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন। চিকিৎসকেরা আরও বলেন, আঘাতের ধরন দেখে এটি ঘাতকের তীব্র ক্ষোভ বা আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে।

    এদিকে বুধবার রাতে নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যামসুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।

    নিহতের স্বামীর ভাই শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিভাগের আর্থিক বিষয় নিয়ে ফজলুর রহমানের সঙ্গে রুনার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগও করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এবং এর সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, নিহতের স্বামীর দেওয়া অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে পুলিশের একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

    নিহতের স্বজনেরা জানান, আসমা সাদিয়া রুনার তিনটি কন্যাসন্তান ও একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশু এখনও বুঝতে পারেনি যে তাদের মা আর বেঁচে নেই। সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় বছর।

    উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান গুরুতর আহত হন।

  • নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু

    নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু

    নড়াইলে দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু। নড়াইল সদর উপজেলায় নড়াইল-মাগুরা সড়কে নসিমন (ইঞ্জিন চালিত অবৈধ যান) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে রিয়াজ শেখ (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার নড়াইল-মাগুরা সড়কের কাগজিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিয়াজ শেখ সদর উপজেলার ফুলস্বর গ্রামের তরিকুল শেখের ছেলে। সে নড়াইলের তৃষ্ণা ওয়াটার ড্রিংকিং এর ডেলিভারিম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত রিয়াজ প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার সকালে নসিমনে বিশুদ্ধ পানি ডেলিভারি দেওয়ার জন্য নলদি ও মিঠাপুর এলাকায় গিয়েছিলেন। এদিন পানি ডেলিভারি দিয়ে ফেরার পথে সদর উপজেলার নড়াইল-মাগুরা সড়কের কাগজীপাড়া এলাকায় পৌঁছালে নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে রিয়াজ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা শুরুর কিছু সময় পর জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া জানান, দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি জানার পর হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
    অপরদিকে
    নড়াইলে বাসের ধাক্কায় সাবেক বিজিবি সদস্য নিহত
    বাসের ধাক্কায় সাবেক বিজিবি সদস্য নিহত
    নড়াইল সদর উপজেলায় মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালক বুলবুল আক্তার (৬৪) নামে এক সাবেক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার নড়াইল-যশোর মহাসড়কের নতুন বাস টার্মিনাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    মো. বুলবুল আক্তার নড়াইল সদর পৌরসভা এলাকার কুড়িগ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।
    স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলের দিকে নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে নড়াইল-যশোর মহাসড়কে উঠছিলেন বুলবুল আক্তার। এ সময় যশোর থেকে নড়াইলগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তার মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগে দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি মো. ওলি মিয়া জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধ চালানো কি সম্ভব? ক্লান্ত সেনাবাহিনী ও অর্থনৈতিক চাপে ইসরায়েল

    ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধ চালানো কি সম্ভব? ক্লান্ত সেনাবাহিনী ও অর্থনৈতিক চাপে ইসরায়েল

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন দাবি করছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, একই পরিস্থিতি ইসরায়েলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় চলমান সংঘাত এবং ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা—সব মিলিয়ে ইসরায়েলের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

    গত শনিবার ইরানে হামলার পর থেকে ইসরায়েল বারবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়ছে। এতে দেশজুড়ে বিমান হামলার সতর্কবার্তা জারি করতে হয়েছে, বন্ধ রাখতে হয়েছে স্কুলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি হাজার হাজার রিজার্ভ সেনাকে তলব করা হয়েছে।

    Tel AvivHaifa–র মতো বড় শহরগুলো টানা হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে। অনেক মানুষকে বারবার বাংকার ও শেল্টারে আশ্রয় নিতে হচ্ছে, ফলে সাধারণ জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এত দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমাত্রার যুদ্ধ পরিস্থিতির সঙ্গে ইসরায়েলি জনগণ অভ্যস্ত নয়।

    তবে আপাতত ইসরায়েলের ভেতরে যুদ্ধ নিয়ে জনসমর্থন বেশ দৃশ্যমান। বহু নাগরিক মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে যাকে অস্তিত্বের হুমকি হিসেবে দেখানো হয়েছে—সেই Iran–এর মোকাবিলায় কঠোর অবস্থান প্রয়োজন। কট্টর বামপন্থী দল ছাড়া অধিকাংশ রাজনৈতিক শক্তিই সরকারের পাশে অবস্থান নিয়েছে।

    ইসরায়েলি অর্থনীতিবিদ Shir Hever মনে করেন, যুদ্ধ শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দেশটিতে এক ধরনের সামরিক উন্মাদনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, এটি ২০২৫ সালের জুনে ইরানের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতের সময়কার পরিস্থিতি থেকে ভিন্ন। তখন মানুষের মধ্যে অস্তিত্বের সংকটের ভয় ছিল, কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও যুদ্ধমুখী মনোভাব।

    অন্যদিকে Tel Aviv University–এর শিক্ষক Daniel Bar-Tal বলেন, ইসরায়েলি সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই ইরানকে বড় শত্রু হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “কিন্ডারগার্টেন থেকে শুরু করে স্কুল ও সেনাবাহিনী—সব জায়গাতেই এই ধারণা গভীরভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে।”

    বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই পরিস্থিতি ইসরায়েলি সমাজে ডানপন্থী রাজনীতির উত্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। আগে যাঁরা প্রান্তিক পর্যায়ের উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিক ছিলেন, তাঁরা এখন সরকার পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মেরুকরণ ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে অনেক তরুণ ও মেধাবী নাগরিক দেশ ছাড়ছেন।

    প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন

    প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক Hamze Attar মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের সহায়তার ওপর। তিনি জানান, যুদ্ধের প্রথম তিন দিনেই ইরান ইসরায়েলের দিকে ২০০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

    ইসরায়েল প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ইন্টারসেপ্টর রকেট ব্যবহার করে থাকে। তবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে বজায় রাখা ব্যয়বহুল ও কঠিন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ইসরায়েলকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও রাজনৈতিক স্থাপনা রক্ষায় অগ্রাধিকার দিতে হতে পারে, ফলে সাধারণ নাগরিকদের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    তথ্য অনুযায়ী, ইরান প্রতি মাসে প্রায় ১০০টি করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যা দেশটির মজুত দ্রুত বাড়াচ্ছে।

    অর্থনীতিতে বাড়ছে চাপ

    দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ ইসরায়েলের অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলছে। বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গাজা ও লেবাননে সামরিক অভিযানে ২০২৪ সালে ইসরায়েলের ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এতে দেশটি সাম্প্রতিক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বাজেট ঘাটতির মুখে পড়ে।

    ২০২৫ সালের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এসব অভিযানে ব্যয় বেড়ে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারেও। বিশ্বের তিনটি বড় ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ইতোমধ্যে ইসরায়েলের সার্বভৌম ক্রেডিট রেটিং কমিয়ে দিয়েছে।

    অর্থনীতিবিদ Shir Hever সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েল বর্তমানে ঋণসংকট, জ্বালানিসংকট, পরিবহন ও স্বাস্থ্যসেবা সংকটের মতো নানা চাপে রয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলকে উন্নত অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখে, তাহলে এসব অর্থনৈতিক চাপও দেশটির সামরিক অভিযান পুরোপুরি থামাতে নাও পারে।

  • দুই সপ্তাহে শুধু বিড়ালকে খাবার দিয়ে আয় ২৮ লাখ টাকা

    দুই সপ্তাহে শুধু বিড়ালকে খাবার দিয়ে আয় ২৮ লাখ টাকা

    মাত্র দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে পোষা বিড়ালকে খাবার দিয়ে বিপুল অর্থ আয় করেছেন চীনের এক তরুণ। এ সময় তিনি আয় করেছেন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ইউয়ান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ লাখ ৩৭ হাজার টাকার বেশি। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চীনের Shanghai শহরের বাসিন্দা Huan Kong (৩৪) দীর্ঘদিন ধরেই পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়ার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া এই তরুণ প্রায় ৯ বছর ধরে পেশাদারভাবে এই কাজ করছেন এবং এ জন্য তিনি একটি ছোট দলও গড়ে তুলেছেন।

    চীনের সবচেয়ে বড় উৎসব Chinese New Year–এর সময় এই সেবার চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। দীর্ঘ ছুটিতে অনেক মানুষ ভ্রমণে বের হন বা পরিবারে ফিরে যান। ফলে অনেকেই তাঁদের পোষা প্রাণীকে সঙ্গে নিতে পারেন না। তখন পোষা প্রাণীর যত্ন নেওয়ার জন্য পেশাদার সেবার প্রয়োজন হয়।

    চলতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত চলা Chinese New Year–এর সময় Huan Kong ও তাঁর চার সদস্যের দল পোষা বিড়ালের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব নেন। উৎসবের আগে ও পরে মিলিয়ে প্রায় ২০ দিনের বেশি সময় ধরে তারা প্রায় দুই হাজার বাড়িতে গিয়ে বিড়ালকে খাবার দেন। এর মধ্যে হুয়ান নিজেই প্রায় এক হাজার বাড়িতে সেবা দিয়েছেন।

    উৎসবের সময় হুয়ানের কর্মব্যস্ততা ছিল চরম পর্যায়ে। তিনি প্রতিদিন ভোর তিনটায় কাজ শুরু করে রাত ১০টা বা ১১টা পর্যন্ত কাজ করতেন। দিনে মাত্র তিন থেকে চার ঘণ্টা ঘুমিয়েই তিনি কাজ চালিয়ে গেছেন। সবচেয়ে ব্যস্ত দিনে তিনি প্রায় ৫৫টি বাড়িতে গিয়ে সেবা দিয়েছেন।

    প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে তিনি সাধারণত ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় দেন। এ সময়ের মধ্যে বিড়ালের খাবার ও পানির ব্যবস্থা করা, লিটার বক্স পরিষ্কার করা, প্রাণীর স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা এবং আবর্জনা পরিষ্কার করার কাজ করেন। অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিড়ালকে ওষুধ খাওয়ানো বা নখ কেটে দেওয়ার মতো বাড়তি সেবাও দিয়ে থাকেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় উৎসবের সময় মানুষ যখন বাড়ির বাইরে থাকেন, তখন পোষা প্রাণীর নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য যত্ন নিশ্চিত করতে এ ধরনের পেশাদার সেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। ফলে এ খাতটি নতুন এক সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে উঠে আসছে।

  •  ইকরার মৃত্যু নিয়ে বিতর্কে মুখ খুললেন তিথি

     ইকরার মৃত্যু নিয়ে বিতর্কে মুখ খুললেন তিথি

    বিনোদন ডেস্ক: অভিনয়শিল্পী Zaher Alvi–র স্ত্রী Afra Ivnath Khan Ikra–র অপমৃত্যুকে ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী Iffat Ara Tithi। বুধবার বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইকরার সঙ্গে ব্যক্তিগত কথোপকথনের ৪৪টি স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন।

    ইকরার মৃত্যুর পর থেকেই দেশের বিনোদন অঙ্গনে এ ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ইকরার পরিবারের দাবি, আলভীর সঙ্গে সহকর্মী তিথির ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা। এ ঘটনায় ইকরার বাবা Kabir Hayat Khan রাজধানীর Pallabi Police Station–এ একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    এদিকে সম্প্রতি একটি নাটকের শুটিংয়ের জন্য Zaher AlviIffat Ara Tithi Nepal–এ যান। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল তিথির জন্মদিন। বিনোদন অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, তিথির জন্মদিন উদ্‌যাপনের উদ্দেশ্যেই নেপালে ওই শুটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলভী।

    পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি Afra Ivnath Khan Ikra মারা যান। এরপর থেকেই আলভী ও তিথির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

    ফেসবুক পোস্টে চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশ করে Iffat Ara Tithi লিখেছেন, ‘ভেবেছিলাম এগুলো প্রকাশ্যে দেব না। প্রশাসনের প্রয়োজন হলে সেখানে দেব, সবার সম্মান রক্ষার্থে। কিন্তু আমাকে যেভাবে হ্যারাস করা হচ্ছে, তাতে আর চুপ থাকা সম্ভব হচ্ছে না। ইতিমধ্যে কিছু জায়গায় অডিও স্টেটমেন্টও দিয়েছি। আর যারা নিজেরা খুব সাধু সাজছেন, তাদের ব্যাপারেও আমার কাছে অনেক তথ্য আছে।’

    ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনও তীব্র আলোচনা চলছে। মামলার তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।