রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নেত্রকোনার কৃতি সন্তান নুর মোহাম্মদ শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ বটিয়াঘাটায় দুনীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সাভারে জমি দখল দিতে টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে মানববন্ধন, ভিডিও ভাইরাল বটিয়াঘাটায় সুরখালী ইউনিয়নের হতদরিদ্র মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ বটিয়াঘাটায় আশু সুস্থতা কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা সভা। মধ্যনগরে ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার সাভারে জমি দখল দিতে টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে মানববন্ধন, ভিডিও ভাইরাল ৬ মিনিটের জন্য অন্ধকারে ডুববে সৌদি! শতাব্দীর দীর্ঘতম সূর্যগ্রহণের অপেক্ষায় বিজ্ঞানীরা মোহনগঞ্জে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

ইবির শিক্ষিকা হত্যা: শরীরে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন, ময়নাতদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

অনলাইন ডেক্স
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ সময় দেখা হয়েছে

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের অন্তত ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকেরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসকেরা এ তথ্য জানান। পরে নিহত শিক্ষিকার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমামের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এ সময় সহযোগিতা করেন ডা. রুমন রহমান ও ডা. সুমাইয়া।

চিকিৎসকেরা জানান, নিহত আসমা সাদিয়া রুনার গলার নিচে গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা তার মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বুক, পেট, হাত ও পা-সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

তাদের মতে, আঘাতের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। নিহত শিক্ষিকার হাতেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে তিনি নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলেন। চিকিৎসকেরা আরও বলেন, আঘাতের ধরন দেখে এটি ঘাতকের তীব্র ক্ষোভ বা আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ হতে পারে।

এদিকে বুধবার রাতে নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন— বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যামসুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান।

নিহতের স্বামীর ভাই শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিভাগের আর্থিক বিষয় নিয়ে ফজলুর রহমানের সঙ্গে রুনার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগও করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এবং এর সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, নিহতের স্বামীর দেওয়া অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে পুলিশের একাধিক ইউনিট কাজ করছে।

নিহতের স্বজনেরা জানান, আসমা সাদিয়া রুনার তিনটি কন্যাসন্তান ও একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশু এখনও বুঝতে পারেনি যে তাদের মা আর বেঁচে নেই। সবচেয়ে ছোট সন্তানের বয়স মাত্র দেড় বছর।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমান গুরুতর আহত হন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
সম্পাদক : আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল প্রকাশক: মমতা বেগম পপি উপদেষ্টা সম্পাদক : শেখ অনিন্দ্য মিন্টু ৫১ কংগ্রেস জুবিলি রোড, থানার ঘাট, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০ © All rights reserved © 2026 sodeshkhobor        
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD