Blog

  • এনবিআর চেয়ারম্যানের নামে ভুয়া ই–মেইল খুলে টাকা দাবি, থানায় জিডি

    এনবিআর চেয়ারম্যানের নামে ভুয়া ই–মেইল খুলে টাকা দাবি, থানায় জিডি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের নামে ভুয়া ই–মেইল আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে টাকা দাবি করছে একটি প্রতারক চক্র। কয়েক দিন ধরে চলতে থাকা এই প্রতারণার বিষয়টি নজরে আসার পর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে এনবিআর।

    এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান–এর নাম ব্যবহার করে একটি ভুয়া ই–মেইল আইডি খোলা হয়েছে। ওই ই–মেইল থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে মিথ্যা তথ্য ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রতারক চক্রটি নিজেদের সরকারি উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিষয়টি সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এর নজরে আসে। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে মঙ্গলবার রাজধানীর **শেরেবাংলা নগর থানা**য় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। জিডি নম্বর ২৫৮।

    এনবিআর জানিয়েছে, প্রতারক চক্রটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য ব্যবহার করে মানুষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের ই–মেইল বা যোগাযোগ পেলে তা আমলে না নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

    একই সঙ্গে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং করদাতাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো ই–মেইল বা অর্থ দাবির ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।

    প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত, হতাহতের খবর নেই

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত, হতাহতের খবর নেই

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহের মধ্যেই ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    ইসরায়েলের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল Channel 12–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির মধ্যাঞ্চলে এসে পড়ে। ক্ষেপণাস্ত্রের একটি অংশ মধ্যাঞ্চলীয় শহর পেতাহ তিকভা-তে আঘাত হানে। এতে কয়েকটি স্থাপনায় আংশিক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে।

    এদিকে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম The Times of Israel জানিয়েছে, ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ মধ্যাঞ্চলের একটি এলাকায় পড়ে। বিস্ফোরণের ফলে আশপাশের ভবনে ভাঙচুর ও জানালার কাঁচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

    ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা হামলাস্থল ঘিরে ফেলে এবং আলামত সংগ্রহ শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, একজন নিরাপত্তাকর্মী ক্ষতিগ্রস্ত স্থানের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর বরাতে জানা গেছে, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হামলার প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।

    তবে এ হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার ধারাবাহিকতায় এই হামলা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নির্ভর করবে দুই পক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের ঘটনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার বিরুদ্ধে ইরানকে সমর্থন জানাল চীন

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল হামলার বিরুদ্ধে ইরানকে সমর্থন জানাল চীন

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে চীন। সোমবার (২ মার্চ) চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এক ফোনালাপে তাঁর ইরানি সমকক্ষ আব্বাস আরাগচি–কে বেইজিংয়ের অবস্থান জানান।

    রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম CCTV–এর বরাতে জানা গেছে, ওয়াং ই বলেন, চীন ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। তিনি দুই দেশের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বের কথাও উল্লেখ করেন।

    হামলা ও পাল্টা হামলা

    গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েল ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এতে কয়েক শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

    পাল্টা হিসেবে তেহরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় দেশগুলো এবং সাইপ্রাস–এ অবস্থিত একটি ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

    সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান

    সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াং ই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে সংঘাত পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    এ ছাড়া একই দিনে ওমান–এর পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি–র সঙ্গে পৃথক ফোনালাপে ওয়াং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধ উসকে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, চীন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।

    ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারো–র সঙ্গে আলাপকালে ওয়াং সতর্ক করেন, বিশ্ব ‘জঙ্গলের আইনে’ ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাঁর ভাষায়, সামরিক শক্তির ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর ওপর একতরফা হামলা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক।

    ওয়াং আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যুর সমাধান শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথেই খুঁজে নিতে হবে।

    আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে চীনের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতার স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ নিহত

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতার স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ নিহত

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–এর স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ মারা গেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

    সোমবার (২ মার্চ) তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়। বার্তা সংস্থা Reuters ইরানের সরকারি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানায়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আহত হয়েছিলেন মানসুরেহ খোজাস্তেহ। বোমা হামলার সময় তিনি একটি বাসভবনের নিকটবর্তী স্থানে অবস্থান করছিলেন এবং সেখানেই গুরুতর আহত হন। পরে আঘাতজনিত কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।

    এর আগে একই হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামলায় তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য এবং দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা নিহত হয়েছেন।

    রোববার (১ মার্চ) ইরানের সংবাদমাধ্যম Fars News Agency জানায়, খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতিও মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতার বাসভবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    এ ছাড়া শনিবার সকালের আরেক হামলায় খামেনির এক পুত্রবধূ নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট হামলার স্থান, সময় কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    ঘটনাগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

  • ইরান-লেবানন সীমা ছাড়িয়ে যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত, ১ লাখ রিজার্ভ সেনা মোতায়েন করছে ইসরায়েল

    ইরান-লেবানন সীমা ছাড়িয়ে যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত, ১ লাখ রিজার্ভ সেনা মোতায়েন করছে ইসরায়েল

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করার ইঙ্গিত দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটি প্রায় এক লাখ রিজার্ভ সেনা মোতায়েনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামরিক গোয়েন্দা ইউনিটগুলো অতিরিক্ত অপারেশনাল এলাকা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রিজার্ভ সদস্যদের তলব করেছে। ইসরায়েলি বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত চলমান অভিযান ‘Operation Roaring Lion’-এর আওতায় বিভিন্ন ফ্রন্ট শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

    লেবাননে হামলা, হতাহত

    সোমবার (২ মার্চ) ভোরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ঘোষণা দেয়, তারা হিজবুল্লাহ–র বিরুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক যুদ্ধ’ শুরু করেছে। রাজধানী বৈরুত–এর দক্ষিণ উপশহর ও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়।

    লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত ও ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।

    এর জবাবে হিজবুল্লাহ দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের বক্তব্য, এটি তেল আবিবের ধারাবাহিক হামলা এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিশোধ।

    ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা

    গত শনিবার থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এতে কয়েক শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। পাল্টা হিসেবে তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়।

    ওয়াশিংটন ও তেল আবিব অভিযোগ করছে, ইরান এমন পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করছে যা ইসরায়েল ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য হুমকি। তবে তেহরানের দাবি, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ এবং তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না।

    আঞ্চলিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রিজার্ভ সেনা মোতায়েন ও বহুমুখী সামরিক তৎপরতা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সংঘাত ইরান-লেবাননের সীমা ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত হতে পারে। পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

  • উপসাগরীয় শহরগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

    উপসাগরীয় শহরগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দোহা, আবুধাবি, দুবাই ও মানামায় হামলার ঘটনায় শুধু স্থাপনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    উপসাগরীয় দেশগুলো—বিশেষ করে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতবাহরাইন—এ অঞ্চলের অন্যান্য সংঘাত থেকে নিজেদের দূরে রাখার কৌশল নিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর তারা কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে: পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাবে, নাকি পরিস্থিতি সামাল দিতে সংযত থাকবে।

    হামলা ও হতাহতের ঘটনা

    শনিবার সন্ধ্যায় ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত তিনজন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন। কাতারে ১৬ জন, কুয়েতে ৩২ জন, ওমানে ৫ জন এবং বাহরাইনে ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থায় ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ দুবাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও বিমানবন্দর, মানামার বহুতল ভবন এবং কুয়েতের বিমানবন্দরে আঘাত হানে। দোহাতেও কয়েকটি এলাকায় ধোঁয়া দেখা যায়। সৌদি আরব জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে।

    সংঘাতের পটভূমি

    এর আগে শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং আরও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও সরকারি স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। দেশটির একটি স্কুলে হামলায় অন্তত ১৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু।

    এই হামলার আগে ওমান–এর মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল। আলোচনায় ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত না করার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছিল বলে জানা যায়। তবে হামলার ফলে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে গেছে।

    বিশেষজ্ঞের মন্তব্য

    New York University Abu Dhabi–এর মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিবিষয়ক অধ্যাপক মোনিকা মার্কস বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর সাধারণ মানুষ ও নীতিনির্ধারকদের কাছে নিজেদের শহরে বোমাবর্ষণের দৃশ্য সম্পূর্ণ অচেনা ও অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা।

    তার মতে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরেই পরিস্থিতির অবনতি আঁচ করছিল এবং সংঘাত এড়াতে চেষ্টা চালাচ্ছিল। তারা আশঙ্কা করছিল, কোণঠাসা ইরান প্রতিশোধমূলক হামলায় প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

    অবকাঠামো নিয়ে শঙ্কা

    বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তাদের বিদ্যুৎ গ্রিড, পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট ও জ্বালানি অবকাঠামো। তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এসব অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে।

    পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, আর উপসাগরীয় দেশগুলো এখন এমন সিদ্ধান্তের মুখে দাঁড়িয়ে আছে, যা তাদের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

  • ইকরার মৃত্যুর পর ফেসবুক আইডি হ্যাকের অভিযোগ

    ইকরার মৃত্যুর পর ফেসবুক আইডি হ্যাকের অভিযোগ

    অভিনয়শিল্পী জাহের আলভী (নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া)-এর সঙ্গে পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার বাদ আসর ময়মনসিংহের ভালুকায় তাঁদের গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

    এর একদিন পর, সোমবার দুপুরে ইকরার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার অভিযোগ ওঠে। দুপুর পর্যন্ত তাঁর আইডি সচল থাকলেও বেলা দেড়টার দিকে ঘনিষ্ঠ এক বান্ধবী বিষয়টি টের পান।

    ইকরার বান্ধবী সামিয়া আলম দাবি করেন, ইকরার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে থাকা কিছু কথোপকথন হঠাৎ করে মুছে ফেলা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের তিনজনের একটি ব্যক্তিগত চ্যাট গ্রুপ ছিল, যেখানে ইকরা নিজের পারিবারিক নানা সমস্যা ও সংকটের কথা শেয়ার করতেন। হঠাৎ করে সেই গ্রুপে ইকরার পাঠানো বার্তাগুলো অনুপস্থিত দেখতে পান তাঁরা।

    সামিয়ার অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে জাহের আলভী জড়িত থাকতে পারেন। তাঁর দাবি, অতীতেও আলভীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের অভিযোগ শোনা গেছে। তিনি বলেন, গ্রুপে ইকরার ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিষয়, বিশেষ করে স্বামী সম্পর্কিত অভিযোগ, আলোচনা হয়েছিল। সেসব তথ্য মুছে ফেলার উদ্দেশ্যেই অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁদের সন্দেহ।

    তবে এ বিষয়ে জাহের আলভীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও ফেসবুক আইডি হ্যাকের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

    ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • কুয়েতে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এ তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

    কুয়েতে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এ তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

    কুয়েতে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’—অর্থাৎ মিত্রবাহিনীর ভুলবশত ছোড়া গোলার আঘাতে ঘটেছে।

    মার্কিন সেনাবাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থেকে ভুলবশত গোলা ছোড়া হলে F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত হয়। তিনটি বিমানে থাকা মোট ছয়জন ক্রু নিরাপদে ইজেক্ট করে বের হয়ে আসেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং সবাই স্থিতিশীল আছেন বলে জানানো হয়।

    অভিযানের সময় দুর্ঘটনা

    সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে বিমানগুলো উড়ছিল। এ সময় ইরানের পক্ষ থেকে উড়োজাহাজ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মতো সক্রিয় লড়াই চলছিল। সেই পরিস্থিতিতেই কুয়েতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুল শনাক্তকরণের কারণে এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টকম।

    কুয়েতের প্রতিক্রিয়া

    কুয়েত–এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সকালে এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কয়েকটি’ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত করলেও সংখ্যা বা কারণ নির্দিষ্ট করে জানায়নি।

    কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইদ আল-আতোয়ান জানান, দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহত ক্রুদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

    ভিডিওতে যা দেখা গেছে

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN–এর জিওলোকেট করা কয়েকটি ভিডিওতে কুয়েতে একটি যুদ্ধবিমান আকাশে আগুন ধরে ঘুরতে ঘুরতে নিচে পড়তে দেখা যায়। একটি ভিডিওতে একজন পাইলটকে প্যারাস্যুটের সাহায্যে নামতেও দেখা গেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি বিমান কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের Ali Al Salem Air Base ঘাঁটির প্রায় ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বিধ্বস্ত হয়। অন্য একটি ভিডিওতে মরুভূমি এলাকায় পাইলটকে ফ্লাইট স্যুট ও হেলমেট পরা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। সেটির অবস্থান ঘাঁটি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

    প্রেক্ষাপট

    ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলে বোমাবর্ষণ ও সামরিক তৎপরতার মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিদেশের মাটিতে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণত এ ধরনের ঘটনার পর বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করা হয়।

    সেন্টকম কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহায়তা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং যৌথ অভিযানে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।

  • ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেছেন, ইরানে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ নয়। তবে ভবিষ্যতে সেখানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনাও তিনি পুরোপুরি নাকচ করেননি।

    মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর Pentagon–এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে ইরানের ভেতরে কোনো মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েন নেই। তবে পরিস্থিতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হচ্ছে না।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যতটুকু প্রয়োজন, ততদূর পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত। সম্ভাব্য সামরিক কৌশল বা ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ আগাম প্রকাশ করা সমীচীন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    পিট হেগসেথের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানে মার্কিন অভিযানের প্রধান লক্ষ্য দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও নৌ শক্তি দুর্বল করা এবং তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে অতীতের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক জড়িত থাকার উদাহরণের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়।

    উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতির অগ্রগতির ওপর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নির্ভর করবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

  • ট্রাম্পের ‘তিন পছন্দের’ তালিকা: ইরানের নেতৃত্বে কে?

    ট্রাম্পের ‘তিন পছন্দের’ তালিকা: ইরানের নেতৃত্বে কে?

    ট্রাম্পের ‘তিন পছন্দের’ তালিকা: ইরানের নেতৃত্বে কে?

    ইরানকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর কাছে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই তালিকায় আছে ‘খুব ভালো পছন্দের’ তিনটি নাম। তবে তিনি এখনই সেই নাম প্রকাশ করতে চান না।

    রোববার দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, ইরানের বর্তমান ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে ক্ষমতাচ্যুত করাই সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের লক্ষ্য। শনিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও Israel যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়।

    খামেনিসহ শীর্ষ নেতাদের মৃত্যু দাবি

    হামলায় ৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা Ayatollah Ali Khamenei নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অভিযানে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খামেনির পাশাপাশি তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন।

    নিহতদের তালিকায় আরও রয়েছেন—

    • খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা Ali Shamkhani

    • সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল Abdul Rahim Mousavi

    • প্রতিরক্ষামন্ত্রী Aziz Nasirzadeh

    • বিপ্লবী গার্ড কোর (Islamic Revolutionary Guard Corps)-এর প্রধান Mohammad Pakpour

    নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত

    ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তিনি আলোচনায় রাজি হয়েছেন।

    The New York Times-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতৃত্বে কে আসতে পারেন—সে বিষয়ে তাঁর কাছে তিনটি শক্তিশালী বিকল্প রয়েছে। তবে ‘কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত’ তিনি নাম প্রকাশ করবেন না।

    সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য

    এর আগে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেন, ইরানে এই হামলার লক্ষ্য ছিল সরকার পরিবর্তন। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করার ঘটনাকে সেই কৌশলেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো একটি দেশে দ্রুত সরকার পরিবর্তন করা সহজ হবে না। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।