গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানা হেফাজতে থাকা জব্ধ করা ৮ ঘোড়া গোপনে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে ওসির বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে অবশেষে প্রশাসন ঘোড়াগুলো ফেরত এনে সোমবার দুপুরে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে।
স্থানীয় ও প্রশাসন সুত্রে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ কালিয়াকৈরের খলিশাজানি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে জবাইয়ের প্রস্তুতিকালে ৯টি ঘোড়া উদ্ধার করে ফুলবাড়ীয়া ফাড়ি পুলিশ। পরে সেগুলো থানা হেফাজতে রাখা হয়। থানা হেফাজতে রাখা অবস্থায় অসুস্থ্য হয়ে একটি ঘোড়া মারাও যায়। হঠাৎ করে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন গত রবিবার ভোরে অনেকটা গোপনে এক ব্যাক্তির কাছে ৮ টি ঘোড়া বিক্রি করে দেন। সোমবার সকালে থানায় ঘোড়া না দেখে স্থানীয়রা এবং সংবাদকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থানা থেকে ঘোড়া উধাও নিয়ে পোস্ট করে। মুহুর্তে ঘোড়া বিক্রির খবর ভাইরাল হলে সেই ঘোড়া কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ফেরত নিয়ে আসে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘোড়াগুলো ফেরত এনে সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নিলামের আয়োজন করে। নিলামে অংশ নেন একাধিক ক্রেতা এবং প্রতিযোগিতামূলক দর হাঁকার মাধ্যমে ঘোড়াগুলো বিক্রি করা হয় বলে জানা গেছে।
কালিয়াকৈরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন জানান, ঘোড়াগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। আগের ঘটনাটি নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনের জন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, ঘোড়াগুলো বিক্রি করা হয়নি, সাময়িকভাবে একজনের জিম্মায় দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সেগুলো থানায় ফিরিয়ে আনা হয় এবং নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরুতে গোপনে কম দামে বিক্রির চেষ্টা না হলে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির দাবি জানিয়েছেন।
Category: সারাদেশ
-

কালিয়াকৈরে ওসির বিরুদ্ধে জব্দ ঘোড়া বিক্রির অভিযোগ, পরে সমালোচনার মুখে নিলামে বিক্রি করল প্রশাসন
-

কক্সবাজারের টেকনাফে জমি দখলের চেষ্টা, হামলার অভিযোগে মামলা – কারাগারে ভুক্তভোগীর স্বামী
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের হাবির ছড়া এলাকায় ৩ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত ওলি আহাম্মদের পুত্রবধূ মো. তৈয়বের স্ত্রী সাহারা খাতুন প্রায় চার বছর আগে উক্ত জমিটি ক্রয় করেন। তবে সম্প্রতি ওই জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন ওলি আহাম্মদের ছেলে ছৈয়দ কাশিম ও তার স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জমিতে গেলে গত ৩১ ডিসেম্বর তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে ছেনুয়ারা বেগম কক্সবাজার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে মো. তৈয়ব বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযুক্ত অন্যান্যরা হলেন— বাকী আলি আহাম্মদ, আলী হোসেন ও সাহারা খাতুন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জমিটি দীর্ঘদিন ধরে সাহারা খাতুনের দখলে ছিল। তারা আরও অভিযোগ করেন, সাহারা খাতুন জমিতে গেলে উল্টো তার ওপর হামলা চালিয়ে পরে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, এ ঘটনায় কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
-

মোহনগঞ্জে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেফতার ৪
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরশহরের দৌলতপুর এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে মোহনগঞ্জ থানা পুলিশ।
পরে সোমবার তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পৌরশহরের দৌলতপুর এলাকার সিদ্দিক মিয়ার ছেলে মোঃ সানোয়ার হোসেন (২৯), নওহাল এলাকার আক্কাস মিয়ার ছেলে প্রান্ত মিয়া (২২), টেংগাপাড়া এলাকার মিন্টু ভুঁইয়ার ছেলে মোঃ পাপন ভুঁইয়া (২২) ও বারহাট্টা উপজেলার আলোকদিয়া এলাকার মৃত মজিদ মিয়ার ছেলে মোঃ রাসেল মিয়া (২৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় মোহনগঞ্জ পৌরশহরে মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এলাকার চুরি-ছিনতাই বেড়ে গেছে।
ফলে মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মামলা দিয়ে সোমবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।
-

গোমস্তাপুরে ডিএনসির অভিযানে দম্পতিসহ গ্রেফতার ২, ইয়াবা উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এর অভিযানে স্বামী-স্ত্রীসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বংপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— বংপুর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ তারেক রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মর্জিনা খাতুন (৩৩)। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
অভিযান পরিচালনাকারী সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি দল বংপুর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় আসামীদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের আটক করা হয়।
এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে আত্রাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন মামলা হলেও মূলহোতা ধরাছোঁয়ার বাইরে
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার কাশিপুর মৌজায় আত্রাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উচ্চ আদালতে রিট মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও একটি প্রভাবশালী চক্র প্রকাশ্যে দিন-রাত এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহামান্য হাইকোর্টে ১৪৬৮৯/২০২৫ নম্বর রিট মামলা চলমান থাকলেও প্রস্তাবিত কাশিপুর বালুমহাল এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলন চলছে, যা প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেই হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
ঘটনাটি জানাজানি হলে গত ২৯ মার্চ বিকেলে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সুমা খাতুন পুলিশ টিমসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাঁন মিয়ার জমিতে স্তূপ করে রাখা আনুমানিক ১ হাজার ৫ শত সিএফটি অবৈধ বালু জব্দ করেন।
এ ঘটনায় বীরগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী এবং মৃত তমিজ উদ্দিনের পুত্র আব্দুস সালাম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মূলহোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং তীরবর্তী কৃষিজমি ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, বিষয়টি নিয়ে বহুবার অভিযোগ করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। মামলা হলেও প্রকৃত দায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
জব্দকৃত বালু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান শাহীন চৌধুরীর জিম্মায় দেওয়া হলে এ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে প্রভাবশালী মহল জড়িত এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন চলতে থাকলে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, তীরভাঙন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “অপরাধীরা যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বৈধভাবে বালুমহাল ইজারা দিয়ে সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য গণস্বাক্ষরিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।
-

নবীনগরে শ্রমিক দলের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনে আনন্দ মিছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের জাবেদুল ইসলাম জাবেদ কে আহবায়ক ও শাহ আলম বেপারী কে সদস্য সচিব করে গত ৩০ জানুয়ারি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেন জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ হেবজুল বারী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা।
২৭ মার্চ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক মিছিলটি গুরে উপজেলা পরিষদ এসে এ আনন্দ মিছিল শেষ করে পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রাধান অতিথি ছিলেন নবীনগর উপজেলা বি এন পির সভাপতি, এডভোকেট আব্দুল মান্নান এমপি, নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক জাবেদুল ইসলাম জাবেদের সভাপতিত্বে উপজেলা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মঞ্জুরুল আলম মজনু সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বি এন পির সদস্য মাছুদুল ইসলাম মাছুদ,নবীনগর পৌর বি এন পির সাধারণ সম্পাদক মাছুদ রানা, জেলা কৃষদ দলের সদস্য আমিনুল ইসলাম, নবীনগর উপজেলা বি এন পির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু, পৌর বি এন পির সিনিয়র সহ সভাপতি হাসিবুল হাদিস শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক শুক্কুর খান,শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি বায়জিদ বাবু, উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব শাহ আলম বেপারী, উপজেলা যুবদলের ১নং যুগ্ন আহবায়ক আসাদুজ্জামান দুলাল,
সদস্য সচিব হাজি আবু কাউছার, উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক অনন্ত হীরা,নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল উদয়, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মহিলা দলের সভাপতি পদপ্রার্থী লাকি আক্তার, সহ বি এন পি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রমোক্ষ,এসময় বক্তারা বলেন দীর্ঘ ২৯ বছর নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের দায়িত্ব পালন করেছেন রফিকুল ইসলাম দেনু মিয়া উনি ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণের পর আট বছর নবীনগর উপজেলায় শ্রমিক দলের আর কোন নেতৃত্ব আসেনি।
আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে উনারই সুযোগ্য সন্তান জাবেদুল ইসলাম জাবেদকে আহবায়ক করায় নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দল প্রান ফিরে পেলেন। সকল নেতা কর্মীদের দাবি রফিকুল ইসলাম দেনুর মতন নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগর উপজেলার ২১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার শ্রমিক দলকে শক্তিশালী করে তুলবেন। নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক ও পথ সভার সভাপতি জাবেদুল ইসলাম জাবেদ বলেন আমি সর্বপ্রথমে স্বরণ করছি আমার বাবাকে আপনেরা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আমার বাবার মতন নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলকে শক্তিশালী করিতে পারি।
সেই সাথে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি নবীনগরের মাটি ও মানুষের নেতা নবীনগর উপজেলা বি এন পির সভাপতি এড়ভোকেট আব্দুল মান্নান এমপি মহদয় ও জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ হেবজুল বারী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা সহ সংশ্লিষ্ট সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি। আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নবীনগর উপজেলা বি এন পির ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্ধুর প্রতি আজকের প্রগরামকে সফল করার জন্য।
-

নাগরপুরে গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যু
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের সিংদাইর গ্রামে রুমা (১৯) নামের এক গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রুমা গতবছর রাসেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জেরে রাসেলের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করে পরে এলাকাবাসী এবং পরিবারের সমঝোতায় বিয়ে হয়।
রুমার বাবার দাবি, বিয়ের পর থেকেই রুমাকে মেনে নিতে পারেনি রাসেলের পরিবার। তখন থেকেই তাকে অত্যাচার করে আসছিলো।আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে গলায় ওড়না পেচিয়ে টয়লেটের ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে, বলে রাসেলের পরিবার জানায়।
রুমা উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের আয়নাল হক এর মেয়ে। রুমার বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে জানায়, এটি সাধারণ মৃত্যু নয়, রুমাকে যৌতুক জন্য হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ রুমাকে তার স্বামী ও স্বামীর বাড়ির লোকজন যৌতুক, স্বর্ণের জন্য অত্যাচার করে আসছিলো।গতকাল রুমা’র বাবা-মা কে মুঠোফোনে স্বামীর বাড়ির অত্যাচারের কথা জানিয়েছিল, এমনটাও জানায় রুমার পিতা আয়নাল। আরো বলে, রুমাকে ওরা হত্যা করে গলায় ওরনা পেচিয়ে টয়লেটে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
নাগরপুর থানা পুলিশ রুমার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মামলার ও ময়না তদন্তের প্রস্তুতি চলছে।
-

মোহনগঞ্জে গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসবের অভিযোগ
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় গরু লুটের সময় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ৯ মাসের গর্ভবতী নারীকে পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। এতে রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি পরে মৃত নবজাতক প্রসব করেছেন বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের হাটনাইয়া-আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত রোকেয়া আক্তার (৩৮) ওই গ্রামের বাসিন্দা ওলিউল্লাহর স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৫ এপ্রিল তার সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা ছিল।
পরিবারের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে আংগুর মিয়ার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল গভীর রাতে ওলিউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় এবং গরু লুটের চেষ্টা করে। এ সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় গর্ভবতী রোকেয়া আক্তার বাধা দিতে এগিয়ে গেলে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার পেটে লাথি মারা হলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
পরে রাতেই তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা পর তিনি একটি মৃত কন্যাসন্তান প্রসব করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মার্চ একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়, যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। ওই ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরিবারের দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা এবং এর মাধ্যমে গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, নবজাতকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রোকেয়া আক্তারের ভাতিজা আবুল বাশার বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-

নড়াইলে তেল না পেয়ে পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা আহত ১
নড়াইলে পেট্রোল পাম্পে তেল না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তীব্র বাকবিতণ্ডার জেরে এক ট্রাকচালক পাম্প ম্যানেজারকে ট্রাক দিয়ে চাপা দিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে নড়াইল-যশোর মহাসড়কের তুলারামপুর এলাকায় মেসার্স তানভীর ফিলিং স্টেশনের পাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাহিদ সর্দার (৩৩) ওই ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার এবং তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের বাসিন্দা। আহত জিহাদুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।
পাম্পের কর্মচারীদের দাবি, ট্রাকচালক সুজাত তেল নিতে এসে তেল না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ম্যানেজারকে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়। পরে কিছুক্ষণ পর ট্রাক ঘুরিয়ে এনে নাহিদ সর্দারকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই নাহিদ সর্দারের মৃত্যু হয়।
তুলারামপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ট্রাকচালক ও ট্রাকটি আটক করতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীর গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
-

নান্দাইলে ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান, মানবিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে “ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশন”। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও কর্মঅক্ষম আজিজুল হকের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে, যা চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) নান্দাইল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম (সূর্য) ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির সহধর্মিণী ইসরাত শামস মলি, যিনি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল করিম ভুইয়া বিপ্লব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুল, ফাউন্ডেশনের সদস্য আরীক শামস ও সায়ীক শামসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসরাত শামস মলি বলেন, “সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশন সেই লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করেছে। আজিজুল হকের মতো অসহায় মানুষের পাশে আমরা সবসময় থাকব এবং তাকে আমৃত্যু আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।”তিনি আরও বলেন, “এটি শুধু একটি সহায়তা কর্মসূচি নয়, বরং মানবিকতার একটি ধারাবাহিক উদ্যোগ। পর্যায়ক্রমে নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে রবিউল করিম ভুইয়া বিপ্লব বলেন, “আজিজুল হক দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে কর্মঅক্ষম এবং গত কয়েক বছর ধরে শয্যাশায়ী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার প্রতি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার মাধ্যমে এইফাউন্ডেশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। আমরা আশা করি, সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসে এমন উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবেন।”জানা যায়, সুবিধাভোগী আজিজুল হক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার চিকিৎসা ও দৈনন্দিন খরচ বহনে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।