Category: মতামত

  • নড়াইলের কালিয়ায় মাংস ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫ গ্রেপ্তার ২০

    নড়াইলের কালিয়ায় মাংস ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২৫ গ্রেপ্তার ২০

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শেখ ও মোল্যা পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (২৩ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
    কালিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাসানুল কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    সংঘর্ষে মোল্যা বংশের মাহাবুর মোল্যা (৪০), রমজান মোল্যা (৫৫), মিন্টু মোল্যা (৫২), নাহিদ মোল্যা (২১), টুটুল মোল্যা (৩০), শাহীদুল মোল্যা (৪৮), রাজা মোল্যা (৫০), বাঁধন মোল্যা (২৬), তামিম মোল্যা (১৯), সুমন মোল্যা (২৮) এবং শেখ বংশের আজানুর শেখসহ (১৮) উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নোয়াগ্রামে শেখ বংশের মাহবুবুর রহমান শেখ ও ইসরাইল শেখ এবং প্রতিপক্ষ মোল্যা বংশের খায়রুল মোল্যা ও তাদের লোকজনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত শনিবার ঈদের দিন মাংস ভাগাভাগি নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে এই দুই পক্ষের বিরোধ আবারও চাঙ্গা হয়। এর জেরে সোমবার রাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় শটগানের গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। আহতরা বর্তমানে নড়াইল জেলা হাসপাতাল ও খুলনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    নড়াইল জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক অলোক কুমার বাগচি বলেন, কালিয়ায় সংঘর্ষের ঘটনায় ১৪ জন জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের শরীরে ছররা গুলির অংশ পাওয়া গেছে। আমরা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছি, বর্তমানে প্রত্যেকেই আশঙ্কামুক্ত।
    নড়াইল জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলমান। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শিগগিরই বিএনপির কাউন্সিল: মির্জা ফখরুল

    চলতি বছরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শিগগিরই বিএনপির কাউন্সিল: মির্জা ফখরুল

    চলতি বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যদিও এখনো নির্দিষ্ট সময় চূড়ান্ত হয়নি।

    বুধবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তার প্রথম আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভা।

    মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে এবং যত দ্রুত সম্ভব ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তার ভাষ্য, এ বছরেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সরকার আশাবাদী।

    দলীয় কাউন্সিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির সম্মেলনও চলতি বছরের মধ্যেই হওয়ার কথা রয়েছে। সময় এখনো নির্ধারণ না হলেও শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। উল্লেখ্য, দলটির সর্বশেষ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালে।

    সরকার ও দলের কার্যক্রম একসঙ্গে পরিচালনার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার গঠনের পর অনেক নেতাই প্রশাসনিক দায়িত্বে চলে যাওয়ায় সাংগঠনিক কিছু সমন্বয় করতে সময় লাগছে। তবে দলীয় কার্যক্রম বন্ধ নেই, বরং তা সীমিত পরিসরে চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, সরকার ও দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করবে।

    আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ববাজারে চাপ তৈরি করেছে। তার দাবি, তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলেও সরকার এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়েছে এবং দেশে জ্বালানির দাম বাড়েনি। একই সঙ্গে তৈরি পোশাক খাতে ঈদের আগে বেতন-বোনাসসংক্রান্ত যে সংকট প্রায়ই দেখা যায়, এবার তা আগাম ব্যবস্থাপনার কারণে এড়ানো গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং জুলাই সনদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, যেসব বিষয়ে দল আনুষ্ঠানিকভাবে একমত হয়েছে, সেসব প্রতিশ্রুতির প্রতি তারা পুরোপুরি অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে যেসব বিষয় তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, সেগুলো সবসময় গ্রহণ করা সম্ভব নাও হতে পারে। এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৃহস্পতিবার বসছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে প্রস্তুতি

    বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৃহস্পতিবার বসছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে প্রস্তুতি

     মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণের জন্য জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আগামী বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। বৈঠকে বাংলাদেশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার তথ্য পর্যালোচনা করা হবে এবং ঈদুল ফিতরের আনুষ্ঠানিক দিন ঘোষণা করা হবে।

    ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আজ বুধবার প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অবস্থিত ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সম্মেলনকক্ষে সন্ধ্যা ছয়টায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মুসলমানদেরকে আহ্বান জানানো হয়েছে, যদি বাংলাদেশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়, তবে তা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নির্দিষ্ট ফোন নম্বর ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ এবং ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭-এ জানান। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) খবর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, চাঁদ দেখা কমিটির এই বৈঠক মুসলমান সমাজে ঈদের দিন নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এটি একদিকে ধর্মীয় ঐক্য বজায় রাখে, অন্যদিকে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈদের প্রস্তুতি ও উদযাপনের সমন্বয় নিশ্চিত করে।

    পূর্ববর্তী বছরগুলিতে, স্থানীয় আবহাওয়া ও আকাশের অবস্থার কারণে চাঁদ দেখার সময় পার্থক্য দেখা গেছে। সেজন্য কমিটি বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষণ দু’টোই বিবেচনায় রাখে। এই বৈঠকে আবহাওয়া অফিসের রিপোর্ট, বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং স্থানীয় চাঁদ দেখার দলগুলোর পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করা হবে।

    আন্তর্জাতিক মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার সুবিধার্থে বাংলাদেশের এই পদক্ষেপে বৈশ্বিক গুরুত্ব রয়েছে। বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করা হবে, যা দেশে ছুটি, নামাজ ও অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ডের সময়সূচি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

  • নারায়ণগঞ্জের অংশে যানবাহনের চাপ কম, তবে কাউন্টারে ভিড় রয়ে গেছে

    নারায়ণগঞ্জের অংশে যানবাহনের চাপ কম, তবে কাউন্টারে ভিড় রয়ে গেছে

    পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। বুধবার সকালেই সরেজমিনে মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কে গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ও দ্রুতগতির। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কোনো যানজট নেই, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতা এবং লম্বা ঈদের ছুটির কারণে অনেক যাত্রী আগেই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

    মেঘনা টোল প্লাজার ১২টি বুথে গাড়ি থেকে টোল আদায় করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চালকদের নির্দিষ্ট লেনে চলাচলে উৎসাহিত করার জন্য মাইকিং চালানো হচ্ছে। মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকাও যানজট কম থাকার একটি বড় কারণ। মেঘনা টোল প্লাজার কর্মকর্তা আলীফ মাহমুদ বলেন, “এবারের ঈদে গাড়ির চাপ কম। মালবাহী ট্রাক চলাচল না থাকায় মহাসড়কে যান চলাচল দ্রুত হচ্ছে।”

    টোল প্লাজার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মনির হোসেন জানান, সকালেও কিছুটা চাপ থাকলেও মহাসড়ক এখন ফাঁকা। কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক বিষ্ণু পদ শর্মা বলেন, “যাত্রীদের অনেকেই আগেই বের হয়েছেন। যারা এখনও আছেন, তারা ধীরে ধীরে বাড়ি যাচ্ছেন। সড়কের অবস্থা ভালো এবং পুলিশি তৎপরতা থাকায় বড় ধরনের যানজট নেই। তবে গার্মেন্টস ছুটি শুরু হলে কিছুটা চাপ বাড়তে পারে।”

    যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল এলাকায় গাড়ি না আসায় অনেক যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফোম কারখানায় কাজ করা রুবেল মিয়া জানান, তাঁর গাড়ি সকাল ৮টায় ছাড়ার কথা ছিল, দেড় ঘণ্টা পরও আসেনি। তাঁকে যাত্রীপ্রতি ৬০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে, যা সাধারণ সময়ের ৫০০ টাকার চেয়ে বেশি।

    বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সালাউদ্দিন বলেন, তিনি গ্রামে যাচ্ছেন বোন ও দুই ভাগনিসহ। নীলাচল পরিবহনের টিকিট থাকলেও গাড়ি তখনও আসেনি। সাইনবোর্ডে হিমাচল পরিবহন কাউন্টারের ব্যবস্থাপক আবদুল জলিল জানাচ্ছেন, ঢাকা থেকে গাড়ি ছেড়ে আসতে দেরি হচ্ছে। জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও অন্যান্য কারণে গাড়ি দেরি করছে। তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীপ্রতি ভাড়া ৫০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    মোটের উপর, মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রীদের জন্য কাউন্টার ও টোল প্লাজায় অপেক্ষা এবং বাড়তি ভাড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। ঈদযাত্রার পিকের আগেই সঠিক সমন্বয় এবং সময়মতো গাড়ি ছেড়ে দেওয়া না হলে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

  • তেহরানে হামলায় ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রীকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি

    তেহরানে হামলায় ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রীকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি

    ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানির নিহত হওয়ার পর তেহরানে নতুন করে রাতভর হামলা চালিয়ে দেশটির গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা। তবে হামলায় খতিব নিহত হয়েছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

    রয়টার্স, এপি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলী লারিজানি ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। প্রথম দিকে তার অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে ইরানি গণমাধ্যম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।

    এই প্রেক্ষাপটে তেহরানে রাতভর হামলার খবর সামনে আসায় ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল ইরানের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে চাপ আরও বাড়াচ্ছে। যদিও ইসমাইল খতিবকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়ে স্বাধীনভাবে পূর্ণ যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি, ঘটনাটি দুই দেশের চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই অংশটি উপলব্ধ প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে বিশ্লেষণাত্মক মূল্যায়ন।

    আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের রাজনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। তিনি পার্লামেন্টের স্পিকার, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং পরমাণু আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু ইরানের ক্ষমতার ভেতরের ভারসাম্যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

    একই সময়ে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যা সংঘাতকে তেহরান-তেল আবিব সীমা ছাড়িয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংকটে রূপ দিচ্ছে। জ্বালানি বাজার, উপসাগরীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক তৎপরতায় এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে।

    এখন পর্যন্ত ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিবের অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি। ফলে ঘটনাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি এখনও অনিশ্চিত: হামলা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার ফল কী, এবং এর জবাবে তেহরান কী পদক্ষেপ নেয়।

  • ধর্মপাশা পাইকুরাটিতে ভিজিএফ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    ধর্মপাশা পাইকুরাটিতে ভিজিএফ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পাইকুরাটি ইউনিয়নে ভিজিএফ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ১১ ঘটিকায় পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়। লিখিত সংবাদ সম্মেলন পাঠ করেন- পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মাহবুব মোর্শেদ খোকন তিনি বলেন, সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত পাইকুরাটি ইউনিয়নের ভিজিএফ কার্যক্রম সংক্রান্ত একটি সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে যেসব তথ্য উপস্থাপন করেছেন, আমরা তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।
    উক্ত সংবাদে পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ মাহবুব মোর্শেদ খোকন এবং হারুন অর রশিদ সরকার-এর নাম জড়িয়ে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তারা কখনোই ব্যক্তিগতভাবে ভিজিএফ কার্ড গ্রহণ বা বিতরণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। বরং সবসময় প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন।

    আমরা মনে করি, তথ্য যাচাই না করেই এবং সংশ্লিষ্টদের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য গ্রহণ না করে এই বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন, যা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
    আমরা আরও লক্ষ্য করেছি, অতীতে কিছু সংবাদে একই ধরনের পক্ষপাতমূলক উপস্থাপনা পরিলক্ষিত হয়েছে, যা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা হিসেবে জনগণের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই- ভিজিএফ কর্মসূচি একটি সরকারি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম, যেখানে সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত উপকারভোগীদের মধ্যে সহায়তা বিতরণ করা হয়। এই কার্যক্রমে কোনো ধরনের অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব বা বেআইনি হস্তক্ষেপের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এতে বিএনপির দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। অতএব, আমরা সংশ্লিষ্ট পত্রিকার কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি- প্রকাশিত সংবাদের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে, অবিলম্বে প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সংশোধনী প্রকাশ করতে হবে, অন্যখায়, আমরা আমাদের সম্মান ও সুনাম রক্ষার্থে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবো। পরিশেষে, আমরা আবারও স্পষ্টভাবে বলতে চাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে এসেছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবে। কোনো অপপ্রচার বা মিথ্যা তথ্য আমাদের জনগণের সেবা থেকে বিরত রাখতে পারবে না। পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক প্রভাষক হারুন ওর রশীদ সরকার বলেন, মিথ্যা বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামরুল হাসান লিটু, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোবারুল মিয়া, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিষ্ট মিয়া, সদস্য পলাশ, ইউনিয়ন যুবদল নেতা খোকন সরকার প্রমুখ। এব্যাপারে পাইকুরাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন ইকবাল বলেন, ভিজিএফ কার্ড নিতীমালা অনুযায়ী মেম্বার দ্বারা বিতরণ করা হয়েছে। বিএনপির নেতা কর্মীরা কিছু হত দরিদ্রদের এনআইডি কার্ড দেওয়ার পর যাচাই, বাচাই করে বিতরণ করেছি। কোন অনিয়ম হয়নি। ##

  • নবনিযুক্ত প্রশাসককে সেনেটারি এন্ড টিউবওয়েল মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের ফুলেল শুভেচ্ছা

    নবনিযুক্ত প্রশাসককে সেনেটারি এন্ড টিউবওয়েল মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের ফুলেল শুভেচ্ছা

    ময়মনসিংহ সেনেটারি এন্ড টিউবওয়েল মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। নবনিযুক্ত প্রশাসক আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে তাকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    ​শুভেচ্ছা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল আকন্দ এবং সেক্রেটারি মীর সুমন। নেতৃবৃন্দ নতুন প্রশাসকের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে তাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে সব ধরনের গঠনমূলক ও প্রশাসনিক কাজে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

    ​শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জুয়েল আকন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “নতুন প্রশাসকের দক্ষ ও সুচিন্তিত নেতৃত্বে এই খাতের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান হবে। আমরা বিশ্বাস করি, তার হাত ধরে ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা ফিরে আসবে।”
    ​সংগঠনের সেক্রেটারি মীর সুমন বলেন, “ব্যবসায়ীদের ঐক্য বজায় রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা প্রশাসনের সাথে সবসময় কাজ করতে প্রস্তুত। আমরা চাই একটি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ যেখানে সবাই সুন্দরভাবে কাজ করতে পারে।”

    ​শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত প্রশাসকের সাথে এক সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে এসোসিয়েশনের সার্বিক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
    ​পরামর্শ: আপনি চাইলে এই খবরের সাথে একটি ভালো ছবি যুক্ত করে আপনার ফেসবুক পেজ বা স্থানীয় পত্রিকায় পাঠাতে পারেন।

  • ময়মনসিংহে প্রাইভেট হাসপাতাল মালিকদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

    ময়মনসিংহে প্রাইভেট হাসপাতাল মালিকদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

    ময়মনসিংহে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন, জেলা শাখার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) নগরীর জিয়াউর রহমান অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক ব্যক্তি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আবু ওহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জাকির হোসেন বাবলু, ফখরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার এবং মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম।

    সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা শাখার সভাপতি ডা. মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মনসুর আলম চন্দন।

    বক্তারা বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া সবাই মিলিতভাবে দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন। পুরো আয়োজনটি এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, যা পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে আরও দৃঢ় করে।

  • ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান: ছাত্রদল নেতা নূর মোহাম্মদ রাসেলের হৃদয়ছোঁয়া শুভেচ্ছা

    ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান: ছাত্রদল নেতা নূর মোহাম্মদ রাসেলের হৃদয়ছোঁয়া শুভেচ্ছা

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাভার থানা তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নসহ দেশ-বিদেশের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নূর মোহাম্মদ রাসেল।


    ‎এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর এই উৎসব মানুষের জীবনে নিয়ে আসে শান্তি, সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। রমজানের আত্মসংযম, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা আমাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে।


    ‎তিনি আরও বলেন, “ঈদের আনন্দ তখনই সার্থক হয়, যখন সমাজের সকল স্তরের মানুষ—ধনী-গরিব নির্বিশেষে—একসঙ্গে এই আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে।” এ লক্ষ্যে তিনি সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনেও ঈদের আনন্দ পৌঁছে দেন।


    ‎ছাত্রদল নেতা নূর মোহাম্মদ রাসেল বলেন, ঈদ শুধু উৎসবের দিন নয়, এটি সৌহার্দ্য, ভালোবাসা ও ঐক্যের এক অনন্য প্রতীক। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী এবং সমাজের অবহেলিত মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই নিহিত রয়েছে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য।


    ‎তিনি ঢাকা-২ আসনের জনপ্রিয় নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য আমানুল্লাহ আমান এবং তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মেহেদী হাসানের পক্ষ থেকেও সাভার ও আশুলিয়াবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।


    ‎এছাড়াও তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি মানবিক, সমৃদ্ধ ও সুশাসিত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে—যেখানে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিশ্চিত হবে।


    ‎সবশেষে তিনি দেশবাসীর সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বলেন, “সকল শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষসহ দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে আসুক শান্তি, সুস্বাস্থ্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি।


    ‎“সবাই ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন। গরিব-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান—ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে।”

  • ধোবাউড়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ওমর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    ধোবাউড়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ওমর ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

    ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ওমর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কলসিন্দুর স্কুলের মাঠে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ময়মনসিংহ ১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব #সালমান_ওমর_রুবেল এর সহধর্মিনী #তমা_আক্তার।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবুল ফজল, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।