Category: জাতীয়

  • ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

    ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

    ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

    ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার শঙ্কার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বহুসংখ্যক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে অবতরণ করেছে। ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে অনেকটা গোপনীয়ভাবে এসব যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, পঞ্চম প্রজন্মের এসব যুদ্ধবিমান দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়নের সময় ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখলেও তাদের সঙ্গে থাকা জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমানগুলো ট্রান্সপন্ডার চালু রেখেছিল। ওপেন-সোর্স বিশ্লেষক সংস্থা মিলিটারি এয়ার ট্র্যাকিং অ্যালায়েন্স ফ্লাইট ট্র্যাকিং বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে যুক্তরাজ্যের লেকেনহিথ এয়ারবেস থেকে যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়ন করে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছায়।

    এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় তৃতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়ায় সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    গত ২২ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, অন্যথায় ইরানের জন্য পরিস্থিতি “দুর্ভাগ্যজনক” হবে। তিনি শর্ত মেনে চুক্তিতে আসতে ১০-১৫ দিনের আলটিমেটামও দেন। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারির এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই একটি চুক্তিতে আসতে হবে, নতুবা “খারাপ কিছু ঘটবে”।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা ও সামরিক প্রস্তুতি—দুই দিকেই সমান্তরাল অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর-এর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    নতুন গভর্নরের সামনে ব্যাংকিং খাতের চলমান সংস্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

    শিক্ষাগত ও পেশাগত পটভূমি

    মোস্তাকুর রহমান ১৯৬৬ সালের ১২ মে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৮৭ সালে বি.কম (সম্মান) এবং ১৯৮৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯২ সালে আইসিএমএবি (ICMAB) থেকে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ) হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করে পরবর্তীতে ফেলো সদস্য হন।

    তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের রেগুলেটরি কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

    অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা

    মোস্তাকুর রহমান একজন উদ্যোক্তা ও জ্যেষ্ঠ আর্থিক প্রশাসন বিশেষজ্ঞ। করপোরেট ফিন্যান্স, এক্সপোর্ট ইকনমিক্স, ইনস্টিটিউশনাল গভর্ন্যান্স ও ফিন্যান্সিয়াল সিস্টেমস ম্যানেজমেন্টে তার তিন দশকের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। ম্যানুফ্যাকচারিং, রিয়েল এস্টেট, এগ্রো-বেজড এন্টারপ্রাইজ ও শিল্প উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

    ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং, ইনভেস্টমেন্ট ওভারসাইট, ক্যাপিটাল স্ট্রাকচার ও লিকুইডিটি ম্যানেজমেন্ট, ফরেন এক্সচেঞ্জ এক্সপোজার কন্ট্রোল, কর্পোরেট ও রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স এবং রিস্ক ওভারসাইট—এসব ক্ষেত্রে তার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। বোর্ড গভর্ন্যান্স ও ফিডুসিয়ারি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও তিনি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন।

    বর্তমানে তিনি রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    সামনে যে চ্যালেঞ্জ

    অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং কাঠামোগত সংস্কার এগিয়ে নেওয়া নতুন গভর্নরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হবে। আর্থিক ব্যবস্থার সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে তার নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা আশা করছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নেতৃত্বে নীতি-সংলাপ, শিল্প অর্থায়ন ও আর্থিক খাতের টেকসই সংস্কারে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

  • বাংলাদেশ পুলিশ-এর নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির; র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    বাংলাদেশ পুলিশ-এর নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির; র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নবনিযুক্ত আইজিপির কাঁধে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বুধবার সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন মো. আলী হোসেন ফকির। নবনিযুক্ত আইজিপি পুলিশ সদর দপ্তরে পৌঁছালে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন।

    গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক পদে নিয়োগ দেয়।

    কর্মজীবনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

    মো. আলী হোসেন ফকির ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া আরআরএফ সিলেটের কমান্ড্যান্ট এবং ৩ এপিবিএন খুলনা, ৫ এপিবিএন ঢাকা ও ৭ এপিবিএন সিলেটের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    ডিআইজি পদে তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও এসপিবিএনে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    পাশাপাশি তিনি ১৫তম বিসিএস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের আহ্বায়ক এবং অফিসার্স ক্লাব ঢাকা ও খুলনা ক্লাবের সদস্যসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

    শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে বিকম (অনার্স), এমকম ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

    নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি ও জনবান্ধব পুলিশিং জোরদারে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করেছে।

  • আসনের এমপি সালমান ওমর রুবেল-কে কো-অপারেটিভ প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা

    আসনের এমপি সালমান ওমর রুবেল-কে কো-অপারেটিভ প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা

    আসনের এমপি সালমান ওমর রুবেল-কে কো-অপারেটিভ প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা

    ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল-কে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে কো-অপারেটিভ প্রেসক্লাব ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টায় ময়মনসিংহ বড় বাজারস্থ ওমর ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের বিভাগের সভাপতি খালেদ হাসান ও জেলার সভাপতি ইয়াহিয়া আরিফ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন স্মারক তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলার সাধারণ সম্পাদক সজীব রাজভর বিপিন, সহ-সভাপতি মোঃ আমিনূর ইসলাম রাব্বি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর লোটাস, সুমন ভট্টাচার্য, রবিন বরকত উল্লাহ, এজি জাফর, তানভীর, রতন ও সোহেল।

    সবার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সংসদ সদস্য সালমান ওমর রুবেল বলেন, “হালুয়াঘাট-ধোবাউড়ার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাবো। আমি কর্মের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসায় থাকতে চাই। এই এলাকার মানুষের ভালোবাসার কাছে আমি ঋণী। সেই ঋণ শোধ করতে হলে আমাকে কাজ করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং শিক্ষা খাতের মানোন্নয়ন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় শুরু হয়েছে এবং অচিরেই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    হালুয়াঘাট-ধোবাউড়াকে একটি আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তরের প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার শক্তি।”

    শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকরা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষা-সংস্কৃতির বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • ইসরায়েল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক আজ

    ইসরায়েল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক আজ

    ইসরায়েল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক আজ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
    দুই দিনের সরকারি সফরে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েলে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। এছাড়া ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেট-এ তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা

    এই সফর এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন গাজায় চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে ইসরায়েল সরকার। সাম্প্রতিক সংঘাতে গাজা উপত্যকায় অন্তত ৭২ হাজার ৭৩ জন নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও পরিস্থিতি যে ভয়াবহ—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

    ঐতিহাসিকভাবে ভারত ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় এর বিরোধিতা করেছিল। দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার প্রশ্নে ভারত সরব ছিল এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে কড়া অবস্থান নেয়। বিশেষ করে অ-আরব দেশগুলোর মধ্যে ভারতই ছিল ইসরায়েলি নীতির অন্যতম সমালোচক।

    তবে ১৯৯২ সালে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সম্পর্কের উন্নতি শুরু হয়। ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। প্রতিরক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে “অসাধারণ জোট” বিদ্যমান এবং সফরকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে আলোচনা হবে।

    গত বছর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ-এর নয়াদিল্লি সফরের সময় দুই দেশ পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি বিনিয়োগ চুক্তি সই করে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারত ও ইসরায়েলের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার ছিল। পাশাপাশি, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগের বর্তমান পরিমাণ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

    বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যেও ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। এই সফর সেই কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

  • রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় নাগরিক পার্টি আহ্বায়কের

    রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় নাগরিক পার্টি আহ্বায়কের

    রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় নাগরিক পার্টি আহ্বায়কের

    রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন মো. নাহিদ ইসলাম, যিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থান-এ ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড-এ নিহত শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    এ সময় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা প্রতিরোধে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি এই দায় এড়াতে পারেন না।

    তিনি বলেন, “সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করতে হবে। গণহত্যার অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”

    এনসিপি আহ্বায়ক আরও বলেন, দেশে আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদেরও আইনের ঊর্ধ্বে রাখা যাবে না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংসদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে আয়োজিত কর্মসূচিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • চলতি বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ: সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা

    চলতি বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ: সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা

    চলতি বছরের ফিতরার হার নির্ধারণ: সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২,৮০৫ টাকা

    চলতি ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান মাসের জন্য সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বুধবার সংস্থাটির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দুপুরে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ–এর সভাকক্ষে আয়োজিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক

    কীভাবে নির্ধারিত হলো ফিতরার হার

    সভায় জানানো হয়, ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনির—এই পাঁচটি পণ্যের যেকোনো একটি দিয়ে ফিতরা আদায় করা যায়। দেশের বিভিন্ন বিভাগ থেকে সংগৃহীত বাজারদরের ভিত্তিতে এসব পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    • গম বা আটা: অর্ধ সা (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) বা বাজারমূল্য ১১০ টাকা

    • যব: এক সা (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) বা ৫৯৫ টাকা

    • খেজুর: এক সা বা ২,৪৭৫ টাকা

    • কিশমিশ: এক সা বা ২,৬৪০ টাকা

    • পনির: এক সা বা ২,৮০৫ টাকা

    এ হিসাবে সর্বনিম্ন হার নির্ধারিত হয়েছে আটার ভিত্তিতে ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ হার পনিরের ভিত্তিতে ২,৮০৫ টাকা।

    স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী পরিশোধের সুযোগ

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্যের খুচরা বাজারদরে ভিন্নতা থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারমূল্য অনুযায়ী পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে। মুসলমানরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত যেকোনো পণ্য বা তার সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন যারা

    বৈঠকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালক, আলেম ও খতিবরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।