Category: জাতীয়

  • ইরানে হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নিন্দায় উত্তর কোরিয়া

    ইরানে হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নিন্দায় উত্তর কোরিয়া

    ইরানে হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নিন্দায় উত্তর কোরিয়া

    ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি এই হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ এবং ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

    রোববার (১ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Korean Central News Agency (কেসিএনএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

    ‘গ্যাংস্টার-সদৃশ আচরণ’-পিয়ংইয়ংয়ের মন্তব্য

    প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ছিল ‘প্রত্যাশিত’। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আচরণকে ‘আধিপত্যবাদী ও গ্যাংস্টার-সদৃশ’ বলে মন্তব্য করেন।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসী যুদ্ধনীতি’ আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।

    ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা Ali Larijani। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং সেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

    তিনি আরও বলেন, ইরান এমন শক্তি দিয়ে জবাব দেবে, যা প্রতিপক্ষ আগে কখনো দেখেনি।

    আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি

    মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব পড়তে পারে।

  • সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা

    সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা

    সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা, রিয়াদে বিমানবন্দর ও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের দিকে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। লক্ষ্যবস্তু ছিল রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মার্কিন সেনাদের অবস্থানরত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি।

    রোববার (১ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।


    রিয়াদে হামলার চেষ্টা, প্রতিহত করার দাবি

    সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে। রাজধানী Riyadh–এর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং মার্কিন সেনাদের অবস্থানরত Prince Sultan Air Base–কে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালানো হয়।

    বার্তা সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি)–কে একটি সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে রিয়াদ বিমানবন্দর ও প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসের কাছে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করা হয়।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। প্রাণহানি বা স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর সংলগ্ন এক প্রত্যক্ষদর্শী আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের শব্দ ও দৃশ্য দেখার কথা জানিয়েছেন।

  • মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহতের দাবি

    মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহতের দাবি

    মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহতের দাবি

    মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট Mahmoud Ahmadinejad নিহত হয়েছেন—এমন দাবি প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম The Jerusalem Post

    রোববার (১ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানি সংবাদ সংস্থা Iranian Labour News Agency–এর বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর-পূর্ব Tehran–এর নার্নাক এলাকায় আহমেদিনেজাদের বাসভবনে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে তিনি এবং তার কয়েকজন দেহরক্ষী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    তবে এ তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

    উল্লেখ্য, মাহমুদ আহমেদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি আরদাবিল প্রদেশের গভর্নর এবং তেহরানের মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

  • শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের আইনের আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

    চট্টগ্রামের গোলাগুলির ঘটনায় অগ্রগতি

    মন্ত্রী জানান, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম–এ সংঘটিত গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। তিনি বলেন, দুই মাস আগে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। এরপর পুলিশ কমিশনার ওই ব্যবসায়ীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। এতে সুবিধা না পেয়ে একই গ্রুপ পুনরায় ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটায়।

    আইনশৃঙ্খলায় ‘দৃশ্যমান উন্নতি’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১৩ দিনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নরসিংদী–তে একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য ঘটনাতেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সেনাবাহিনী ও র‍্যাব নিয়ে আলোচনা

    সেনাবাহিনী কত দিন মাঠে থাকবে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেনাবাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের স্বার্থেও দীর্ঘদিন মাঠে থাকা উচিত নয় বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

    র‍্যাবের নাম ও পোশাক পরিবর্তনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, র‍্যাব একটি বিশেষায়িত বাহিনী এবং এটি রাখা প্রয়োজন। তবে বাহিনীর কাঠামো, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাস্তবতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান’ সংশ্লিষ্টদের সুরক্ষা

    মন্ত্রী আরও বলেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এ বিষয়ে দেওয়া অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে তিনি জানান, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এসব অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে কিছু স্পর্শকাতর বিষয় রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    ভারত ও পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। দুপুরে সাক্ষাৎ করেন পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার

    মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ভিত্তিতে জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। সীমান্তে হত্যার সংখ্যা দ্রুত শূন্যে নামিয়ে আনার অনুরোধও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

  • হামলা ঠেকাতে না পারা ছিল বড় ব্যর্থতা: আসিফ নজরুল

    হামলা ঠেকাতে না পারা ছিল বড় ব্যর্থতা: আসিফ নজরুল

    হামলা ঠেকাতে না পারা ছিল বড় ব্যর্থতা: আসিফ নজরুল

    রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রথম আলো ভবনে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ‘আলো’ পরিদর্শন শেষে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, সরকারে থাকা অবস্থায় প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার–এর ওপর হামলা ঠেকাতে না পারা তাঁদের বড় ব্যর্থতা ছিল।

    শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, হামলার রাতটি এখনো তাঁর মনে রয়েছে। সেদিন তিনি প্রথম আলোর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বহুবার ফোনে কথা বলেছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। তাঁর ভাষায়, দায়িত্বে থেকেও এমন অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া অত্যন্ত কষ্টের। হামলা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়নি—এটি তাঁদের বড় ব্যর্থতা হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রথম আলো ভবনে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ভাঙচুরের পর ভবনটিতে আগুন দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ডেইলি স্টার কার্যালয়ও আক্রান্ত হয়। সে সময় অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং আসিফ নজরুল আইন উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    প্রথম আলোর সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁর একাধিক বই প্রথমা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবং বই প্রচারের কাজে তিনি নিয়মিত এ কার্যালয়ে আসতেন।

    প্রদর্শনী ঘুরে দেখে তিনি বলেন, ভবনের ভেতরের ধ্বংসস্তূপের চিত্র অত্যন্ত ভয়াবহ। তাঁর মতে, এটি দেখলে উগ্র সহিংসতার নির্মমতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    তবে ধ্বংসের মধ্য থেকেও ঘুরে দাঁড়ানোর যে বার্তা এসেছে, সেটিকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ধ্বংসস্তূপকে শিল্প ও প্রতিবাদের প্রতীকে রূপ দেওয়ার মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতার শক্তিই প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন, এ হামলা শুধু দুটি পত্রিকার জন্য নয়, দেশের জন্যও বড় ক্ষতি। একই সঙ্গে এ ঘটনা মানুষকে সহিংস উগ্রতার বিপদ সম্পর্কে সচেতন করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সব সময় প্রথম আলোর পাশে থাকার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

  • ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সতর্কবার্তা: ইরানে বড় সামরিক অভিযান, মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির আশঙ্কা

    ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সতর্কবার্তা: ইরানে বড় সামরিক অভিযান, মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির আশঙ্কা

    ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সতর্কবার্তা: ইরানে বড় সামরিক অভিযান, মার্কিন সেনাদের প্রাণহানির আশঙ্কা

    যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘বড় ধরনের সামরিক অভিযান’ শুরু করেছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই অভিযানে মার্কিন সেনাদের প্রাণহানিও ঘটতে পারে।

    শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রশাসন এই অঞ্চলে মার্কিন কর্মীদের ঝুঁকি কমাতে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নিয়েছে। তবুও তিনি স্বীকার করেন, যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। তাঁর ভাষায়, “সাহসী আমেরিকান বীরদের জীবন যেতে পারে, কিন্তু আমরা ভবিষ্যতের জন্য এই পদক্ষেপ নিচ্ছি।”

    অভিযানের লক্ষ্য ও নাম

    মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর Pentagon জানিয়েছে, অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। ট্রাম্পের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ধ্বংস করা এবং তাদের নৌবাহিনীকে অকার্যকর করে দেওয়া।

    মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এবারের হামলা কয়েক দিন ধরে চলতে পারে। গত জুনে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছিল; এবারের অভিযান তার চেয়ে বিস্তৃত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পাল্টাপাল্টি হামলা

    ইসরায়েলি হামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রও ইরানে আঘাত হানছে। জবাবে তেহরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। ইরানি এক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, তাদের প্রতিক্রিয়া হবে ‘ভয়াবহ’।

    আইআরজিসিকে অস্ত্র ত্যাগের আহ্বান

    ট্রাম্প ইরানের সশস্ত্র বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps (আইআরজিসি)–এর সদস্যদের অস্ত্র নামিয়ে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আত্মসমর্পণ করলে তাদের ক্ষমা করা হবে; অন্যথায় ‘নিশ্চিত মৃত্যু’ অপেক্ষা করছে।

    পারমাণবিক ইস্যুতে অচলাবস্থা

    ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান বারবার তাদের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা ত্যাগের সুযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাঁর বক্তব্য, “আমরা এটি আর মেনে নিতে পারি না।”

    সরকার দখলের উসকানি

    ট্রাম্প ইরানি জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযান শেষ হলে তারা যেন নিজেদের সরকার দখল করে নেয়। তাঁর দাবি, এটি হয়তো কয়েক প্রজন্মের মধ্যে একমাত্র সুযোগ।

    ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ ও সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর দমন–পীড়নের ঘটনা ঘটেছে। তিনি ইরানিদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেন, কারণ “সব জায়গায়” বোমা পড়বে বলে মন্তব্য করেন।

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল জোটের হামলা ও ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন বিশ্বজুড়ে গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে।

  • ছয় আসনের অর্জনে সন্তুষ্ট নয় এনসিপি, লক্ষ্য আরও বড়

    ছয় আসনের অর্জনে সন্তুষ্ট নয় এনসিপি, লক্ষ্য আরও বড়

    জাতীয় নাগরিক পার্টি-এর প্রথম বর্ষপূর্তি: ছয় আসনের অর্জনে সন্তুষ্ট নয় এনসিপি, লক্ষ্য আরও বড়

    ঢাকার ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে প্রতিষ্ঠার এক বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শনিবার বিকেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্ট চিন্তক এবং দলীয় নেতা–কর্মীরা অংশ নেন। আলোচনা সভা ও ইফতারের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

    জুলাই অভ্যুত্থান থেকে রাজনৈতিক যাত্রা

    ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ ঘটে এনসিপির রাজনৈতিক যাত্রার। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব থেকে উঠে আসা তরুণ নেতাদের উদ্যোগে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দলটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হয়।

    এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অংশ নেয় এনসিপি এবং ছয়টি আসনে জয়লাভ করে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে এই ফলাফলকে দলটির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ‘ছয় আসনে সন্তুষ্ট নই’

    অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি হলেও তাদের পথচলা শুরু হয়েছিল জুলাই গণ–অভ্যুত্থান থেকেই। তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে ছয়টি আসনে বিজয় অর্জন গুরুত্বপূর্ণ হলেও দল এতে সন্তুষ্ট নয়। ভবিষ্যতে এ অর্জন আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম নেতা–কর্মীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান এবং তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সংস্কার ও বিচারের দাবিতে দল সরব থাকবে বলেও জানান তিনি।

    রাজনৈতিক মহলের শুভেচ্ছা

    অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এক বছরে এনসিপি রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনী সমঝোতা ও জোটের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে ছয়টি আসন পাওয়া দলটির জন্য বড় অর্জন। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    ইফতার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া মো. গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে এনসিপি যে ফলাফল অর্জন করেছে, তা তারুণ্যের শক্তি ও জনসমর্থনের প্রমাণ। জনগণের রায় বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

    এছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানান।

    সাংস্কৃতিক ও স্মারক আয়োজন

    অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে বক্তব্য দেন শহীদ আহনাফ আবির আশরাফুল্লাহর বোন সাইয়্যেদা আক্তার। পরে এনসিপির এক বছরের কার্যক্রম ও রাজনৈতিক যাত্রাপথ নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    বছরপূর্তির এ আয়োজনে দলীয় নেতা–কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে সম্ভাব্য সমঝোতা ও সহযোগিতার ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

    এক বছরে সীমিত অর্জন সত্ত্বেও বড় লক্ষ্য সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়—এই বার্তাই স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান।

  • ধর্ষণে জড়িতদের রাজনৈতিক আশ্রয় নেই: কঠোর আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

    ধর্ষণে জড়িতদের রাজনৈতিক আশ্রয় নেই: কঠোর আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

    ধর্ষণে জড়িতদের রাজনৈতিক আশ্রয় নেই: কঠোর আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

    আসাদুজ্জামান বলেছেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তি, তাদের আশ্রয়দাতা ও সহযোগী-কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব খাটিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না; আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সাংবিধানিকভাবে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। আগামী সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এসব অধ্যাদেশ বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, নরসিংদীর আলোচিত ধর্ষণ মামলায় জড়িতদের যদি কেউ আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাগুরার আছিয়া হত্যা মামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নরসিংদী ও ঝিনাইদহের শিশু তাবাসসুম হত্যা মামলাও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার হিসাব নেওয়া হবে। কেউ কমিশন বাণিজ্য বা অনিয়মে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণে কাজের মান নিয়ে কোনো আপস করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

    চাঁদাবাজি, কমিশন বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঝিনাইদহে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের মর্যাদা রক্ষার কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ওই সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

    মতবিনিময় সভায় ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মওলানা আবু তালেব, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ও পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ইরানে হামলার পর কাতার-বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    ইরানে হামলার পর কাতার-বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    ইরানে হামলার পর কাতার-বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর নিরাপত্তা শঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় কাতারবাহরাইন–এ অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য পাল্টা হামলা ও অস্থিরতার আশঙ্কায় দেশ দুটিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পৃথক বিবৃতিতে কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো জানায়, তারা নিজ নিজ কর্মীদের জন্য জরুরি আশ্রয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশ দুটিতে থাকা সব মার্কিন নাগরিককেও একইভাবে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এর আগে শনিবার ইরানের কয়েকটি স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর প্রকাশিত হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, রাজধানী তেহরান–এর কেন্দ্রস্থলে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

    তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলো সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

  • Untitled post 125

    রিয়াদে বিস্ফোরণের খবর, উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে রিয়াদ–এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বার্তা সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি) জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরণের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

    এরই মধ্যে ইসরায়েল–এ পাল্টা হামলার পর বাহরাইন, কুয়েত এবং আবুধাবি–তেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর যৌথ হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে।

    বাহরাইন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার খবরও প্রকাশিত হয়। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা Reuters–এর সূত্রে জানা যায়, হামলার পর তিনি তেহরান ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। তার বর্তমান অবস্থান সরকারিভাবে গোপন রাখা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখার কথা জানিয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি বলে বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে। সর্বশেষ পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।