Category: মতামত

  • হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে আত্রাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন মামলা হলেও মূলহোতা ধরাছোঁয়ার বাইরে

    হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে আত্রাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন মামলা হলেও মূলহোতা ধরাছোঁয়ার বাইরে

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার কাশিপুর মৌজায় আত্রাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। উচ্চ আদালতে রিট মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও একটি প্রভাবশালী চক্র প্রকাশ্যে দিন-রাত এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহামান্য হাইকোর্টে ১৪৬৮৯/২০২৫ নম্বর রিট মামলা চলমান থাকলেও প্রস্তাবিত কাশিপুর বালুমহাল এলাকায় অবাধে বালু উত্তোলন চলছে, যা প্রশাসনের নজরদারির মধ্যেই হচ্ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।

    ঘটনাটি জানাজানি হলে গত ২৯ মার্চ বিকেলে বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সুমা খাতুন পুলিশ টিমসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে চাঁন মিয়ার জমিতে স্তূপ করে রাখা আনুমানিক ১ হাজার ৫ শত সিএফটি অবৈধ বালু জব্দ করেন।

    এ ঘটনায় বীরগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী এবং মৃত তমিজ উদ্দিনের পুত্র আব্দুস সালাম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মূলহোতারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।

    এলাকাবাসীর মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং তীরবর্তী কৃষিজমি ও বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়ছে। একই সঙ্গে সরকার বিপুল রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

    স্থানীয় একাধিক সচেতন ব্যক্তি জানান, বিষয়টি নিয়ে বহুবার অভিযোগ করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায়নি। মামলা হলেও প্রকৃত দায়ীদের গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।

    জব্দকৃত বালু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান শাহীন চৌধুরীর জিম্মায় দেওয়া হলে এ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে প্রভাবশালী মহল জড়িত এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এভাবে অবৈধ বালু উত্তোলন চলতে থাকলে নদীর নাব্যতা কমে যাওয়া, তীরভাঙন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “অপরাধীরা যত শক্তিশালীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

    এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বৈধভাবে বালুমহাল ইজারা দিয়ে সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য গণস্বাক্ষরিত আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে।

  • নবীনগরে শ্রমিক দলের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনে আনন্দ মিছিল।

    নবীনগরে শ্রমিক দলের ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদনে আনন্দ মিছিল।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের জাবেদুল ইসলাম জাবেদ কে আহবায়ক ও শাহ আলম বেপারী কে সদস্য সচিব করে গত ৩০ জানুয়ারি ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেন জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ হেবজুল বারী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা।

    ২৭ মার্চ শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক মিছিলটি গুরে উপজেলা পরিষদ এসে এ আনন্দ মিছিল শেষ করে পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রাধান অতিথি ছিলেন নবীনগর উপজেলা বি এন পির সভাপতি, এডভোকেট আব্দুল মান্নান এমপি, নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক জাবেদুল ইসলাম জাবেদের সভাপতিত্বে উপজেলা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মঞ্জুরুল আলম মজনু সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বি এন পির সদস্য মাছুদুল ইসলাম মাছুদ,নবীনগর পৌর বি এন পির সাধারণ সম্পাদক মাছুদ রানা, জেলা কৃষদ দলের সদস্য আমিনুল ইসলাম, নবীনগর উপজেলা বি এন পির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু, পৌর বি এন পির সিনিয়র সহ সভাপতি হাসিবুল হাদিস শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক শুক্কুর খান,শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি বায়জিদ বাবু, উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব শাহ আলম বেপারী, উপজেলা যুবদলের ১নং যুগ্ন আহবায়ক আসাদুজ্জামান দুলাল,

    সদস্য সচিব হাজি আবু কাউছার, উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক অনন্ত হীরা,নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল উদয়, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান, উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর মহিলা দলের সভাপতি পদপ্রার্থী লাকি আক্তার, সহ বি এন পি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রমোক্ষ,এসময় বক্তারা বলেন দীর্ঘ ২৯ বছর নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের দায়িত্ব পালন করেছেন রফিকুল ইসলাম দেনু মিয়া উনি ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণের পর আট বছর নবীনগর উপজেলায় শ্রমিক দলের আর কোন নেতৃত্ব আসেনি।

    আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে উনারই সুযোগ্য সন্তান জাবেদুল ইসলাম জাবেদকে আহবায়ক করায় নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দল প্রান ফিরে পেলেন। সকল নেতা কর্মীদের দাবি রফিকুল ইসলাম দেনুর মতন নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগর উপজেলার ২১ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার শ্রমিক দলকে শক্তিশালী করে তুলবেন। নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক ও পথ সভার সভাপতি জাবেদুল ইসলাম জাবেদ বলেন আমি সর্বপ্রথমে স্বরণ করছি আমার বাবাকে আপনেরা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন আমার বাবার মতন নেতৃত্ব দিয়ে নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দলকে শক্তিশালী করিতে পারি।

    সেই সাথে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি নবীনগরের মাটি ও মানুষের নেতা নবীনগর উপজেলা বি এন পির সভাপতি এড়ভোকেট আব্দুল মান্নান এমপি মহদয় ও জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ হেবজুল বারী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তফা সহ সংশ্লিষ্ট সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি। আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নবীনগর উপজেলা বি এন পির ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্ধুর প্রতি আজকের প্রগরামকে সফল করার জন্য।

  • নাগরপুরে গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যু 

    নাগরপুরে গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যু 

    টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের সিংদাইর গ্রামে রুমা (১৯) নামের এক গৃহবধুর রহস্য জনক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

    রুমা গতবছর রাসেলের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জেরে রাসেলের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করে পরে এলাকাবাসী এবং পরিবারের সমঝোতায় বিয়ে হয়।
    রুমার বাবার দাবি, বিয়ের পর থেকেই রুমাকে মেনে নিতে পারেনি রাসেলের পরিবার। তখন থেকেই তাকে অত্যাচার করে আসছিলো।

    আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে গলায় ওড়না পেচিয়ে টয়লেটের ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে, বলে রাসেলের পরিবার জানায়।

    রুমা উপজেলার কোদালিয়া গ্রামের আয়নাল হক এর মেয়ে। রুমার বাবার বাড়ির পক্ষ থেকে জানায়, এটি সাধারণ মৃত্যু নয়, রুমাকে যৌতুক জন্য হত্যা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ রুমাকে তার স্বামী ও স্বামীর বাড়ির লোকজন যৌতুক, স্বর্ণের জন্য অত্যাচার করে আসছিলো।গতকাল রুমা’র বাবা-মা কে মুঠোফোনে স্বামীর বাড়ির অত্যাচারের কথা জানিয়েছিল, এমনটাও জানায় রুমার পিতা আয়নাল। আরো বলে, রুমাকে ওরা হত্যা করে গলায় ওরনা পেচিয়ে টয়লেটে রেখে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

    নাগরপুর থানা পুলিশ রুমার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মামলার ও ময়না তদন্তের প্রস্তুতি চলছে।

  • মোহনগঞ্জে গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসবের অভিযোগ

    মোহনগঞ্জে গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসবের অভিযোগ

    নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় গরু লুটের সময় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ৯ মাসের গর্ভবতী নারীকে পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। এতে রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি পরে মৃত নবজাতক প্রসব করেছেন বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।

    বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের হাটনাইয়া-আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত রোকেয়া আক্তার (৩৮) ওই গ্রামের বাসিন্দা ওলিউল্লাহর স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, আগামী ১৫ এপ্রিল তার সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা ছিল।

    পরিবারের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে আংগুর মিয়ার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল গভীর রাতে ওলিউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় এবং গরু লুটের চেষ্টা করে। এ সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় গর্ভবতী রোকেয়া আক্তার বাধা দিতে এগিয়ে গেলে তাকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তার পেটে লাথি মারা হলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

    পরে রাতেই তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা পর তিনি একটি মৃত কন্যাসন্তান প্রসব করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মার্চ একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়, যা পরবর্তীতে সংঘর্ষে রূপ নেয়। ওই ঘটনার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মামলা হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    পরিবারের দাবি, এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা এবং এর মাধ্যমে গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

    এদিকে, ঘটনার পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, নবজাতকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রোকেয়া আক্তারের ভাতিজা আবুল বাশার বাদী হয়ে মামলা করেছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নান্দাইলে ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান, মানবিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

    নান্দাইলে ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান, মানবিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

    ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে “ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশন”। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ও কর্মঅক্ষম আজিজুল হকের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে, যা চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) নান্দাইল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম (সূর্য) ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির সহধর্মিণী ইসরাত শামস মলি, যিনি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল করিম ভুইয়া বিপ্লব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুল, ফাউন্ডেশনের সদস্য আরীক শামস ও সায়ীক শামসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ইসরাত শামস মলি বলেন, “সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ইছহাক রওশন ফাউন্ডেশন সেই লক্ষ্য নিয়েই যাত্রা শুরু করেছে। আজিজুল হকের মতো অসহায় মানুষের পাশে আমরা সবসময় থাকব এবং তাকে আমৃত্যু আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।”তিনি আরও বলেন, “এটি শুধু একটি সহায়তা কর্মসূচি নয়, বরং মানবিকতার একটি ধারাবাহিক উদ্যোগ। পর্যায়ক্রমে নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে।”
    সভাপতির বক্তব্যে রবিউল করিম ভুইয়া বিপ্লব বলেন, “আজিজুল হক দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে কর্মঅক্ষম এবং গত কয়েক বছর ধরে শয্যাশায়ী অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার প্রতি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার মাধ্যমে এইফাউন্ডেশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো। আমরা আশা করি, সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এসে এমন উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবেন।”জানা যায়, সুবিধাভোগী আজিজুল হক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার চিকিৎসা ও দৈনন্দিন খরচ বহনে এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

  • মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল কালিয়াকৈর সরকারি কলেজ: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল কালিয়াকৈর সরকারি কলেজ: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা। রবিবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, সম্প্রতি কলেজের আওতাধীন জমিতে একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। এ সময় স্থানীয়ভাবে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত আকতার হোসেন ওকল ও খাটা মজিবুর রহমান উক্ত জমি নিজেদের দাবি করে নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তারা আদালতে কলেজের তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
    এ ঘটনায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধনে বক্তারা এ মামলাকে হয়রানিমূলক উল্লেখ করে অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।
    মানববন্ধন শেষে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কলেজের শিক্ষক সেলিম জাহান, মেহেরুন্নেসা মিনু ও রেজাউল করিম। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ শামীম হোসেন ও পূর্ণিমা সিদ্ধা।
    বক্তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নষ্ট করে এমন মিথ্যা মামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে।
    এসময় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে পুরো এলাকা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে।

  • নাগরপুরে রুমা’র হত্যাকারী রাসেলের ফাঁশির দাবিতে মানববন্ধন

    নাগরপুরে রুমা’র হত্যাকারী রাসেলের ফাঁশির দাবিতে মানববন্ধন

    টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের শতশত নারী পুরুষ রুমা’র হত্যাকারী রাসেলের ফাঁশির দাবিতে মানববন্ধন করেছে।

    গতকাল গৃহবধূ রুমা’র রহস্যজনক মৃত্যু কে হত্যা দাবি করে, হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আজ ২৯ মার্চ রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের নানা শ্রেণি-পেশার ভিন্ন বয়সী শতশত নারী-পুরুষ ও শিশুরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে।

    এসময় মানববন্ধনের অংশগ্রহণকারীরা রুমাকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানায়।
    তারা আরো বলে, প্রেমের বিয়ের যৌতুকের বলি হতে হয়েছে রুমাকে। বিয়ের পর থেকেই রুমাকে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল রাসেলের পরিবার। গ্রামবাসী জানায়, রাসেল রুমাকে যৌতুকের জন্য হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। গতকাল রাসেলের পরিবার এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে আপোষ করে টাকা-পয়সার প্রস্তাব দিয়েছে। আমারা রুমা’র হত্যাকারী রাসেল সহ জড়িতদের ফাঁশি চাই।

  • সড়কে যাত্রীর চাপ কমলেও চাপ কমেনি যাত্রীদের পকেটের উপর

    সড়কে যাত্রীর চাপ কমলেও চাপ কমেনি যাত্রীদের পকেটের উপর

    এরপর পরবর্তী গন্তব্যে ফেরার সড়কে চাপ কমলেও আজও কমেনি যাত্রীদের পকেটের বাড়তি বাড়ার চাপ।

    লম্বা ঈদের ছুটি শেষে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরছে যাত্রীরা। ছুটি কাটানোরদের বেশিরভাগ কর্মক্ষেত্রে ফিরলেও আজও অনেকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনটিকে কাজে লাগিয়েছে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। যানবাহনের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা কম থাকা সত্ত্বেও শহর গামী প্রতিটি যাত্রীকে ক্ষেত্র বিশেষ গুনতে হচ্ছে দুই গুন তিন গুন ভাড়া। পরিবহন সেক্টর সহ বিভিন্ন সেক্টরে ঈদকে ঘিরে স্বেচ্ছাচারিতা ও অরাজকতা অনেকটা অলিখিত নিয়মে দাঁড়িয়েছে।

    উপজেলা শহর থেকে বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায় অটোরিক্সা, সিএনজি, বাসের ভাড়া ক্ষেত্রে বিশেষ ২-৩ গুন বেশি নেয়া হচ্ছে।

    টাঙ্গাইলের নাগরপুরের যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে কথা বলতে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. এরফান উদ্দিন ও সহকারী কমিশনার ভূমি দীপ ভৌমিকের সরকারি নম্বরে একাধিক বার কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

  • লালপুরে পুলিশের সাজানো মামলার প্রতিবাদ ও আটক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

    লালপুরে পুলিশের সাজানো মামলার প্রতিবাদ ও আটক ব্যবসায়ীর মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

    নাটোরের লালপুরে নিজ বাড়ি থেকে ৩ ব্যবসায়ীকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে রাজশাহীর বাঘা থানার খানপুর থেকে আটক দেখিয়ে পুলিশের সাজানো মামলার প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
    জানা যায়, শুক্রবার ( ২৭ মার্চ) লালপুরের বিলমাড়ীয়া বাজারের দোকানপাট বন্ধ রেখে ব্যবসায়ীদের নামে সাজানো মামলার প্রতিবাদ ও আটককৃতদের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে।
    রাজশাহীর বাঘা থানার এসআই প্রদ্যুৎ কুমার প্রামানিক গত ১৫ মার্চ ২০২৫ সালের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ও ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন মামলা নং ১৫ । মামলার এজাহারে নাম না থাকলেও গত ২৫ মার্চ রাতে লালপুরের বিলমাড়ীয়া বাজারের ব্যবসায়ী কাবিল হোসেন ( ৪৪ ) , আশিক ( ২৪ ) , সিদ্দিকুর রহমান সবুজ ( ৩৩) সহ লিটন সরদার ( ৪০ ) কে নিজ নিজ বাড়ি থেকে ডিবি পুলিশের পরিচয়ে নিয়ে যায়। তাদেরকে বাঘা থানার গড়গড়ি ইউনিয়নের খানপুর বাজারস্থ মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্স এর দোকানের পিছন থেকে গ্রেফতার দেখিয়ে বাঘা থানা পুলিশ কোর্টে প্রেরণ করেন।
    আটককৃতদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলার প্রতিবাদ ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন কালে বক্তব্য রাখেন লালপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী সঞ্জয় কুমার কর্মকার, বিলমাড়ীয়া হাট – বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা সরদার, সহ সাধারণ সম্পাদক মুনতাজ আলী, ব্যবসায়ী নেতা শরিফুল ইসলাম শরিফ, আটক সবুজের মা , কাবিলের ছেলে আয়াত আহমেদ প্রমুখ।
    বক্তারা বলেন, ডিবির লোকজন আমাদের পরিবারের সকলের ফোন নিয়ে গেছে।বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের ৩ জন গ্রাম পুলিশ তাদের সাথে ছিল। তারা বাড়ি থেকে ঘুমন্ত মানুষকে নিয়ে গেল, আর বাঘার মধ্যে থেকে আটক দেখায় কিভাবে, যদি অপরাধী হয়ে থাকে তাহলে বাড়ি থেকে আটক দেখাতে পারতো। পুলিশ এমন জঘৃণ কাজ করতে পারে,তা আমাদের জানা ছিল না।

  • শ্রীমঙ্গলে অবৈধ গ্যাস-তেল মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ টাকা

    শ্রীমঙ্গলে অবৈধ গ্যাস-তেল মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ টাকা

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবৈধভাবে গ্যাস ও জ্বালানি তেল মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
    শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সাতগাঁও ও রুস্তমপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইসলাম উদ্দিন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মহিবুল্লাহ আকন্দ।
    এসময় অভিযানে সহযোগিতা করেন পুলিশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB-9) এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
    অভিযানে সাতগাঁও ও রুস্তমপুর এলাকার দুটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাস মজুদের প্রমাণ পাওয়া যায়। ‘ন্যাশনাল ট্রেডিং’-এর মালিক সত্যজিৎ সরকার এবং ‘শান্ত এন্টারপ্রাইজ’-এর মালিক শান্ত সরকারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
    এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার ও জননিরাপত্তা বিবেচনায় তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মহিবুল্লাহ আকন্দ জানান, অভিযানে প্রায় ৩০ হাজার কেজি এলপিজি গ্যাস অবৈধভাবে মজুদের তথ্য পাওয়া গেছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।