Category: আমাদের সম্পর্কে

  • ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

    ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

    ইরানে হামলার শঙ্কা: যুক্তরাষ্ট্র-এর যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে, উত্তেজনা বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্যে

    ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার শঙ্কার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বহুসংখ্যক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে অবতরণ করেছে। ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে অনেকটা গোপনীয়ভাবে এসব যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মার্কিন এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানায়, পঞ্চম প্রজন্মের এসব যুদ্ধবিমান দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়নের সময় ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখলেও তাদের সঙ্গে থাকা জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার বিমানগুলো ট্রান্সপন্ডার চালু রেখেছিল। ওপেন-সোর্স বিশ্লেষক সংস্থা মিলিটারি এয়ার ট্র্যাকিং অ্যালায়েন্স ফ্লাইট ট্র্যাকিং বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে যুক্তরাজ্যের লেকেনহিথ এয়ারবেস থেকে যুদ্ধবিমানগুলো উড্ডয়ন করে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছায়।

    এদিকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় তৃতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি জোরদার হওয়ায় সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    গত ২২ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র হয় একটি চুক্তিতে পৌঁছাবে, অন্যথায় ইরানের জন্য পরিস্থিতি “দুর্ভাগ্যজনক” হবে। তিনি শর্ত মেনে চুক্তিতে আসতে ১০-১৫ দিনের আলটিমেটামও দেন। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারির এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই একটি চুক্তিতে আসতে হবে, নতুবা “খারাপ কিছু ঘটবে”।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা ও সামরিক প্রস্তুতি—দুই দিকেই সমান্তরাল অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করে তুলছে।

  • ইসরায়েল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক আজ

    ইসরায়েল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক আজ

    ইসরায়েল সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক আজ

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
    দুই দিনের সরকারি সফরে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েলে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। এছাড়া ইসরায়েলি পার্লামেন্ট নেসেট-এ তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা

    এই সফর এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন গাজায় চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে রয়েছে ইসরায়েল সরকার। সাম্প্রতিক সংঘাতে গাজা উপত্যকায় অন্তত ৭২ হাজার ৭৩ জন নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও পরিস্থিতি যে ভয়াবহ—তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

    ঐতিহাসিকভাবে ভারত ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় এর বিরোধিতা করেছিল। দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার প্রশ্নে ভারত সরব ছিল এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে কড়া অবস্থান নেয়। বিশেষ করে অ-আরব দেশগুলোর মধ্যে ভারতই ছিল ইসরায়েলি নীতির অন্যতম সমালোচক।

    তবে ১৯৯২ সালে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে সম্পর্কের উন্নতি শুরু হয়। ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়। প্রতিরক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

    ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে “অসাধারণ জোট” বিদ্যমান এবং সফরকালে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে আলোচনা হবে।

    গত বছর ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ-এর নয়াদিল্লি সফরের সময় দুই দেশ পারস্পরিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি বিনিয়োগ চুক্তি সই করে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারত ও ইসরায়েলের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার ছিল। পাশাপাশি, দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বিনিয়োগের বর্তমান পরিমাণ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার।

    বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার মধ্যেও ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। এই সফর সেই কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

  • রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় নাগরিক পার্টি আহ্বায়কের

    রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় নাগরিক পার্টি আহ্বায়কের

    রাষ্ট্রপতির অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি জাতীয় নাগরিক পার্টি আহ্বায়কের

    রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন মো. নাহিদ ইসলাম, যিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থান-এ ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড-এ নিহত শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    এ সময় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা প্রতিরোধে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি এই দায় এড়াতে পারেন না।

    তিনি বলেন, “সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করতে হবে। গণহত্যার অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”

    এনসিপি আহ্বায়ক আরও বলেন, দেশে আইনের শাসন ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদেরও আইনের ঊর্ধ্বে রাখা যাবে না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংসদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহিদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে আয়োজিত কর্মসূচিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।