Category: আমাদের সম্পর্কে

  • ধর্ষণে জড়িতদের রাজনৈতিক আশ্রয় নেই: কঠোর আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

    ধর্ষণে জড়িতদের রাজনৈতিক আশ্রয় নেই: কঠোর আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

    ধর্ষণে জড়িতদের রাজনৈতিক আশ্রয় নেই: কঠোর আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

    আসাদুজ্জামান বলেছেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত ব্যক্তি, তাদের আশ্রয়দাতা ও সহযোগী-কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব খাটিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না; আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার সংসদ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সাংবিধানিকভাবে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছিল। আগামী সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এসব অধ্যাদেশ বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, নরসিংদীর আলোচিত ধর্ষণ মামলায় জড়িতদের যদি কেউ আশ্রয় দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাগুরার আছিয়া হত্যা মামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নরসিংদী ও ঝিনাইদহের শিশু তাবাসসুম হত্যা মামলাও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হবে।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে আইনমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে বরাদ্দকৃত প্রতিটি টাকার হিসাব নেওয়া হবে। কেউ কমিশন বাণিজ্য বা অনিয়মে জড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণে কাজের মান নিয়ে কোনো আপস করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

    চাঁদাবাজি, কমিশন বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সহিংসতা রোধে সরকার ও বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঝিনাইদহে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ সময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের মর্যাদা রক্ষার কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন, ওই সময়ে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা হবে।

    মতবিনিময় সভায় ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবুবকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মওলানা আবু তালেব, জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ ও পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ইরানে হামলার পর কাতার-বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    ইরানে হামলার পর কাতার-বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    ইরানে হামলার পর কাতার-বাহরাইনে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ

    ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর নিরাপত্তা শঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় কাতারবাহরাইন–এ অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্ভাব্য পাল্টা হামলা ও অস্থিরতার আশঙ্কায় দেশ দুটিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পৃথক বিবৃতিতে কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসগুলো জানায়, তারা নিজ নিজ কর্মীদের জন্য জরুরি আশ্রয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশ দুটিতে থাকা সব মার্কিন নাগরিককেও একইভাবে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এর আগে শনিবার ইরানের কয়েকটি স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর প্রকাশিত হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, রাজধানী তেহরান–এর কেন্দ্রস্থলে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

    তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলো সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।

  • Untitled post 125

    রিয়াদে বিস্ফোরণের খবর, উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে রিয়াদ–এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। বার্তা সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি) জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরণের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

    এরই মধ্যে ইসরায়েল–এ পাল্টা হামলার পর বাহরাইন, কুয়েত এবং আবুধাবি–তেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর যৌথ হামলার জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে।

    বাহরাইন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–এর কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার খবরও প্রকাশিত হয়। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা Reuters–এর সূত্রে জানা যায়, হামলার পর তিনি তেহরান ত্যাগ করে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিয়েছেন। তার বর্তমান অবস্থান সরকারিভাবে গোপন রাখা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ ও ধোঁয়ার কুণ্ডলি দেখার কথা জানিয়েছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি বলে বিভিন্ন নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে। সর্বশেষ পরিস্থিতি আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

  • ইরানের পাল্টা হামলার পর বাহরাইন–কুয়েত–আবুধাবিতে বিস্ফোরণ, জরুরি সতর্কতা জারি

    ইরানের পাল্টা হামলার পর বাহরাইন–কুয়েত–আবুধাবিতে বিস্ফোরণ, জরুরি সতর্কতা জারি

    ইরানের পাল্টা হামলার পর বাহরাইন–কুয়েত–আবুধাবিতে বিস্ফোরণ, জরুরি সতর্কতা জারি

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইসরায়েল–এ ইরানের পাল্টা হামলার পর বাহরাইন, কুয়েত এবং আবুধাবি–তে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি)–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র–এর যৌথ হামলার জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। এর জেরে উপসাগরীয় কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

    বাহরাইন কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে জরুরি সতর্কতা জারি করেছে বাহরাইন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতিতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

  • জানুয়ারিতে ৩৫ ধর্ষণ, ৩১ গৃহহিংসা, ২৫ শিশু হত্যা: মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ

    জানুয়ারিতে ৩৫ ধর্ষণ, ৩১ গৃহহিংসা, ২৫ শিশু হত্যা: মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ

    জানুয়ারিতে ৩৫ ধর্ষণ, ৩১ গৃহহিংসা, ২৫ শিশু হত্যা: মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ

    দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ৩৫টি ধর্ষণ, ২টি যৌন হেনস্থা, ৬টি কন্যাবিবাহ ও দাম্পত্য সহিংসতা এবং ৩১টি পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে শিশু হত্যার ২৫টিসহ শিশুদের ওপর সহিংসতার মোট ৩৫টি ঘটনা ঘটেছে।

    শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রকাশিত আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর ‘বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি: জানুয়ারি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারি মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন, সীমান্ত সহিংসতা, সাংবাদিক হেনস্থাসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে পারিবারিক পরিবেশে সংঘটিত সহিংসতার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি-৩১টি। যা পরিবার ও সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার দিকটি স্পষ্ট করে।

    ধর্ষণের ৩৫টি ঘটনা এবং যৌন হেনস্থার ২টি ঘটনা নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা তুলে ধরেছে। পাশাপাশি যৌতুকসংক্রান্ত সহিংসতার ৬টি এবং গৃহকর্মী নারীর ওপর সহিংসতার ১টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে কোনো অ্যাসিড হামলার ঘটনা ঘটেনি-যা কিছুটা ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

    শিশুদের পরিস্থিতিও অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জানুয়ারি মাসে শিশুদের ওপর সহিংসতার ৩৫টি ঘটনা এবং শিশু হত্যার ২৫টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, এটি সমাজের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা সংকটকে সামনে নিয়ে এসেছে।

    প্রতিবেদনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নারী ও শিশু সুরক্ষায় কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

  • মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের তৃতীয় দফা আলোচনা জেনেভায়

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের তৃতীয় দফা আলোচনা জেনেভায়

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের তৃতীয় দফা আলোচনা জেনেভায়

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে আবারও আলোচনায় বসেছে দুই দেশ। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে তৃতীয় দফায় বৈঠক করেন ইরানযুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ওমানের মধ্যস্থতায়, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক হুমকির প্রেক্ষাপটে শান্তিপূর্ণ সমাধান খোঁজা হলো।

    বৈঠকের স্থান ও নিরাপত্তা

    বৈঠকটি ওমানের রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে একে একে উপস্থিত হন উভয় দেশের প্রতিনিধিরা। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি বৈঠক শুরুর বিষয় নিশ্চিত করে বলেন, ‘নতুন ও সৃজনশীল বিভিন্ন পরিকল্পনার প্রতি তেহরান ও ওয়াশিংটনের নজিরবিহীন আগ্রহ রয়েছে।’

    আলোচনার অংশগ্রহণকারী ও বিষয়বস্তু

    প্রথম অধিবেশনের কিছুক্ষণ বিরতির পর বৈঠক আবার শুরু হয়। সূত্র জানিয়েছে, আলোচনা চলাকালে রাফায়েল গ্রসি, জাতিসংঘের পরমাণু সংস্থার প্রধান, অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলের একজন সাংবাদিকও আলোচনার খবর সংগ্রহের জন্য উপস্থিত ছিলেন।

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বৈঠকের আগে জোর দিয়ে বলেছেন, তাঁর দেশ কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র তৈরির দিকে যাচ্ছে না। বৈঠক কেবল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য হলো আলোচনার মাধ্যমে ইরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন হ্রাস করবে।

    প্রেক্ষাপট

    এ আলোচনার সময়কাল মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার পটভূমিতে এসেছে, যেখানে মার্কিন হুমকি এবং কূটনৈতিক মধ্যস্থতা—উভয়ই কার্যকর ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের এই তৃতীয় দফার বৈঠক কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

  • আপনারা হারেননি, হারিয়ে দেওয়া হয়েছে’-সিলেটে জামায়াত আমির

    আপনারা হারেননি, হারিয়ে দেওয়া হয়েছে’-সিলেটে জামায়াত আমির

    আপনারা হারেননি, হারিয়ে দেওয়া হয়েছে’-সিলেটে জামায়াত আমির

    সিলেট প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বিভিন্ন স্থানে গেলে মানুষ তাঁকে বলেন-দল হারেনি, বরং হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    শুক্রবার দুপুরে সিলেট নগরের মিরবক্সটুলা এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সিলেট জেলা জামায়াতের ‘উপজেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষাশিবির’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া

    নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, সংসদীয় রাজনীতিতে এ পরিসরে অর্জন দলটির জন্য প্রথম। তিনি দাবি করেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জামায়াতের নেতৃত্বে একটি অর্থবহ ঐক্য গড়ে উঠেছে এবং দলটি প্রধান বিরোধী দলের অবস্থান পেয়েছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েকটি আসনে ১০ থেকে ১২ হাজার ভোটের ব্যবধানে দলীয় প্রার্থীদের পরাজিত করা হয়েছে, যা ইচ্ছাকৃত ছিল বলে তাঁর দাবি। কিছু ক্ষেত্রে ফল ঘোষণার পর ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা

    জামায়াত আমির বলেন, এবারের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি। বিভিন্ন স্থানে সহায়তা চাওয়া হলে তারা সহযোগিতা করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, হতাশ না হয়ে দেশের মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন ‘দ্বিতীয় লড়াই’

    শফিকুর রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ‘দ্বিতীয় লড়াই’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কোনো স্থান যেন খালি না থাকে—এমন প্রস্তুতি নিতে হবে। সমাজের গ্রহণযোগ্য, দেশপ্রেমিক ও সৎ ব্যক্তিদের স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

    তাঁর ভাষ্য, প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পদ নয়, বরংজ জনপ্রিয়তা, দেশপ্রেম ও স্বচ্ছতা—এই দুটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এভাবে জনগণকে ইতিবাচক কিছু দেওয়া সম্ভব হবে।

  • দেরিতে অফিসে এলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    দেরিতে অফিসে এলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    দেরিতে অফিসে এলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত না হলে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নাসিমুল গনি।

    বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। কেউ এ নির্দেশনা অমান্য করলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সময়নিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই অফিসে উপস্থিত হন। জনদুর্ভোগ ও যানজট এড়াতে অনেক সময় তিনি প্রটোকল ছাড়াই ভোরে সচিবালয়ে আসেন। প্রধানমন্ত্রীর এই অভ্যাস কর্মকর্তাদের মধ্যে সময় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক চাপ তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এক প্রশ্নের জবাবে নাসিমুল গনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব অফিস রয়েছে এবং তিনি ইচ্ছা করলে যে কোনো দিন সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।

    প্রশাসনিক রদবদল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সময় ও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রয়োজন হলে যথাসময়ে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • সাত মাসে যত ঋণ এসেছে, তার চেয়ে বেশি শোধ করেছে সরকার

    সাত মাসে যত ঋণ এসেছে, তার চেয়ে বেশি শোধ করেছে সরকার

    সাত মাসে যত ঋণ এসেছে, তার চেয়ে বেশি শোধ করেছে সরকার

    চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে যে পরিমাণ অর্থ এসেছে, তার চেয়েও বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় দেশে মোট ২৬৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে। বিপরীতে একই সময়ে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থাকে পরিশোধ করা হয়েছে ২৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রাপ্ত অর্থের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ডলার বেশি শোধ করতে হয়েছে।

    ইআরডির তথ্য বলছে, পরিশোধ করা অর্থের মধ্যে আসল ঋণ ছিল প্রায় ১৭৮ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৮৯ কোটি ডলার। অন্যদিকে, সাত মাসে ঋণ হিসেবে পাওয়া গেছে ২৩৯ কোটি ডলার এবং অনুদান হিসেবে এসেছে ২৫ কোটি ডলার।

    বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ গত কয়েক বছর ধরেই বাড়ছে। গত অর্থবছরেও চার বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ শোধ করতে হয়েছিল সরকারকে।

    প্রতিশ্রুতির পরিমাণ কমেছে

    চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ মোট ২২৭ কোটি ডলারের নতুন ঋণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২৩৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

    কারা কত ঋণ ছাড় করেছে

    জুলাই-জানুয়ারি সময়ে সবচেয়ে বেশি ঋণ ছাড় করেছে রাশিয়া, যার পরিমাণ ৫৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংক, তারা দিয়েছে ৫৫ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ছাড় করেছে ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।

    চীন দিয়েছে ২২ কোটি ডলার এবং ভারত দিয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। জাপান থেকে এসেছে ১৮ কোটি ডলার।

    তবে এ সময়ের মধ্যে ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপান নতুন করে কোনো ঋণ প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তারা কেবল পূর্বের প্রতিশ্রুত ঋণের অর্থ ছাড় করেছে। একইভাবে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)ও সাত মাসে নতুন কোনো ঋণ প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

    সার্বিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, বিদেশি ঋণ প্রবাহ অব্যাহত থাকলেও পরিশোধের চাপ সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

  • ওয়াশিংটন-এ ছুরিকাঘাতে ৪ জন নিহত, সন্দেহভাজনকে গুলি করে হত্যা

    ওয়াশিংটন-এ ছুরিকাঘাতে ৪ জন নিহত, সন্দেহভাজনকে গুলি করে হত্যা

    ওয়াশিংটন-এ ছুরিকাঘাতে ৪ জন নিহত, সন্দেহভাজনকে গুলি করে হত্যা

    যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। খবর দিয়েছে এবিসি নিউজ

    প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাকোমার উত্তর-পশ্চিমে কী পেনিনসুলা এলাকায় একটি বাড়ির বাইরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, সকাল ৮টা ৪১ মিনিটে তারা জরুরি কল পান এবং দ্রুত ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, কর্মকর্তারা পৌঁছানোর আগেই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সন্দেহভাজন ব্যক্তি বাড়ির বাইরে কয়েকজনের ওপর ছুরিকাঘাত শুরু করেন। প্রথম ডেপুটি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় তিন মিনিট সময় নেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ভিডিও বিবৃতি অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৩৩ মিনিটে গুলি চালানো হয় এবং ঘটনাস্থলেই সন্দেহভাজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    ছুরিকাঘাতে তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত আরেকজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তারও মৃত্যু হয়।

    ঘটনার তদন্ত করছে পিয়ার্স কাউন্টি ফোর্স ইনভেস্টিগেশন টিম। এখনো পর্যন্ত নিহত ও সন্দেহভাজনের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যে বাড়ির সামনে হামলার ঘটনা ঘটেছে সেটি এমন এক নারীর বলে ধারণা করা হচ্ছে, যিনি তার ছেলের বিরুদ্ধে এক বছরের সুরক্ষা আদেশের আবেদন করেছিলেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ করেন তার ছেলে তাকে হুমকি দিতেন এবং মাদকাসক্তির সমস্যায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি মানসিক নির্যাতন ও ব্যক্তিগত সম্পদ নষ্ট করার অভিযোগও ছিল তার বিরুদ্ধে।

    ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য জানাতে কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।