Category: আন্তর্জাতিক

  • উপসাগরীয় শহরগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

    উপসাগরীয় শহরগুলোতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় উপসাগরীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দোহা, আবুধাবি, দুবাই ও মানামায় হামলার ঘটনায় শুধু স্থাপনা নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ভাবমূর্তিও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    উপসাগরীয় দেশগুলো—বিশেষ করে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতবাহরাইন—এ অঞ্চলের অন্যান্য সংঘাত থেকে নিজেদের দূরে রাখার কৌশল নিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর তারা কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে পড়েছে: পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাবে, নাকি পরিস্থিতি সামাল দিতে সংযত থাকবে।

    হামলা ও হতাহতের ঘটনা

    শনিবার সন্ধ্যায় ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত তিনজন নিহত ও ৫৮ জন আহত হয়েছেন। কাতারে ১৬ জন, কুয়েতে ৩২ জন, ওমানে ৫ জন এবং বাহরাইনে ৪ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থায় ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ দুবাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও বিমানবন্দর, মানামার বহুতল ভবন এবং কুয়েতের বিমানবন্দরে আঘাত হানে। দোহাতেও কয়েকটি এলাকায় ধোঁয়া দেখা যায়। সৌদি আরব জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে।

    সংঘাতের পটভূমি

    এর আগে শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং আরও কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও সরকারি স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। দেশটির একটি স্কুলে হামলায় অন্তত ১৫০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু।

    এই হামলার আগে ওমান–এর মধ্যস্থতায় তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল। আলোচনায় ইরান সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত না করার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছিল বলে জানা যায়। তবে হামলার ফলে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে গেছে।

    বিশেষজ্ঞের মন্তব্য

    New York University Abu Dhabi–এর মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতিবিষয়ক অধ্যাপক মোনিকা মার্কস বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর সাধারণ মানুষ ও নীতিনির্ধারকদের কাছে নিজেদের শহরে বোমাবর্ষণের দৃশ্য সম্পূর্ণ অচেনা ও অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা।

    তার মতে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলো কয়েক সপ্তাহ ধরেই পরিস্থিতির অবনতি আঁচ করছিল এবং সংঘাত এড়াতে চেষ্টা চালাচ্ছিল। তারা আশঙ্কা করছিল, কোণঠাসা ইরান প্রতিশোধমূলক হামলায় প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

    অবকাঠামো নিয়ে শঙ্কা

    বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় দেশগুলোর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তাদের বিদ্যুৎ গ্রিড, পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট ও জ্বালানি অবকাঠামো। তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে এসব অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হতে পারে।

    পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে, আর উপসাগরীয় দেশগুলো এখন এমন সিদ্ধান্তের মুখে দাঁড়িয়ে আছে, যা তাদের নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

  • ইকরার মৃত্যুর পর ফেসবুক আইডি হ্যাকের অভিযোগ

    ইকরার মৃত্যুর পর ফেসবুক আইডি হ্যাকের অভিযোগ

    অভিনয়শিল্পী জাহের আলভী (নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া)-এর সঙ্গে পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার বাদ আসর ময়মনসিংহের ভালুকায় তাঁদের গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

    এর একদিন পর, সোমবার দুপুরে ইকরার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার অভিযোগ ওঠে। দুপুর পর্যন্ত তাঁর আইডি সচল থাকলেও বেলা দেড়টার দিকে ঘনিষ্ঠ এক বান্ধবী বিষয়টি টের পান।

    ইকরার বান্ধবী সামিয়া আলম দাবি করেন, ইকরার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে থাকা কিছু কথোপকথন হঠাৎ করে মুছে ফেলা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁদের তিনজনের একটি ব্যক্তিগত চ্যাট গ্রুপ ছিল, যেখানে ইকরা নিজের পারিবারিক নানা সমস্যা ও সংকটের কথা শেয়ার করতেন। হঠাৎ করে সেই গ্রুপে ইকরার পাঠানো বার্তাগুলো অনুপস্থিত দেখতে পান তাঁরা।

    সামিয়ার অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে জাহের আলভী জড়িত থাকতে পারেন। তাঁর দাবি, অতীতেও আলভীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের অভিযোগ শোনা গেছে। তিনি বলেন, গ্রুপে ইকরার ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিষয়, বিশেষ করে স্বামী সম্পর্কিত অভিযোগ, আলোচনা হয়েছিল। সেসব তথ্য মুছে ফেলার উদ্দেশ্যেই অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশ করা হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁদের সন্দেহ।

    তবে এ বিষয়ে জাহের আলভীর আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও ফেসবুক আইডি হ্যাকের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

    ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • কুয়েতে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এ তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

    কুয়েতে ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’-এ তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

    কুয়েতে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটি ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’—অর্থাৎ মিত্রবাহিনীর ভুলবশত ছোড়া গোলার আঘাতে ঘটেছে।

    মার্কিন সেনাবাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ড United States Central Command (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থেকে ভুলবশত গোলা ছোড়া হলে F-15E Strike Eagle যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত হয়। তিনটি বিমানে থাকা মোট ছয়জন ক্রু নিরাপদে ইজেক্ট করে বের হয়ে আসেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং সবাই স্থিতিশীল আছেন বলে জানানো হয়।

    অভিযানের সময় দুর্ঘটনা

    সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে বিমানগুলো উড়ছিল। এ সময় ইরানের পক্ষ থেকে উড়োজাহাজ, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মতো সক্রিয় লড়াই চলছিল। সেই পরিস্থিতিতেই কুয়েতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুল শনাক্তকরণের কারণে এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টকম।

    কুয়েতের প্রতিক্রিয়া

    কুয়েত–এর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সকালে এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কয়েকটি’ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কথা নিশ্চিত করলেও সংখ্যা বা কারণ নির্দিষ্ট করে জানায়নি।

    কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইদ আল-আতোয়ান জানান, দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহত ক্রুদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

    ভিডিওতে যা দেখা গেছে

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN–এর জিওলোকেট করা কয়েকটি ভিডিওতে কুয়েতে একটি যুদ্ধবিমান আকাশে আগুন ধরে ঘুরতে ঘুরতে নিচে পড়তে দেখা যায়। একটি ভিডিওতে একজন পাইলটকে প্যারাস্যুটের সাহায্যে নামতেও দেখা গেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি বিমান কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের Ali Al Salem Air Base ঘাঁটির প্রায় ১০ কিলোমিটারের মধ্যে বিধ্বস্ত হয়। অন্য একটি ভিডিওতে মরুভূমি এলাকায় পাইলটকে ফ্লাইট স্যুট ও হেলমেট পরা অবস্থায় হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। সেটির অবস্থান ঘাঁটি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

    প্রেক্ষাপট

    ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের বিস্তৃত প্রেক্ষাপটে উপসাগরীয় অঞ্চলে বোমাবর্ষণ ও সামরিক তৎপরতার মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিদেশের মাটিতে মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। সাধারণত এ ধরনের ঘটনার পর বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনা করা হয়।

    সেন্টকম কুয়েতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সহায়তা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং যৌথ অভিযানে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।

  • ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেছেন, ইরানে পরিচালিত মার্কিন সামরিক অভিযান ‘অন্তহীন যুদ্ধ’ নয়। তবে ভবিষ্যতে সেখানে মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনাও তিনি পুরোপুরি নাকচ করেননি।

    মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর Pentagon–এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে ইরানের ভেতরে কোনো মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েন নেই। তবে পরিস্থিতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হচ্ছে না।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যতটুকু প্রয়োজন, ততদূর পর্যন্ত যেতে প্রস্তুত। সম্ভাব্য সামরিক কৌশল বা ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ আগাম প্রকাশ করা সমীচীন হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    পিট হেগসেথের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানে মার্কিন অভিযানের প্রধান লক্ষ্য দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও নৌ শক্তি দুর্বল করা এবং তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিকে অতীতের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক জড়িত থাকার উদাহরণের সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়।

    উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক টানাপোড়েন বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতির অগ্রগতির ওপর ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নির্ভর করবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

  • ট্রাম্পের ‘তিন পছন্দের’ তালিকা: ইরানের নেতৃত্বে কে?

    ট্রাম্পের ‘তিন পছন্দের’ তালিকা: ইরানের নেতৃত্বে কে?

    ট্রাম্পের ‘তিন পছন্দের’ তালিকা: ইরানের নেতৃত্বে কে?

    ইরানকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর কাছে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, এই তালিকায় আছে ‘খুব ভালো পছন্দের’ তিনটি নাম। তবে তিনি এখনই সেই নাম প্রকাশ করতে চান না।

    রোববার দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, ইরানের বর্তমান ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে ক্ষমতাচ্যুত করাই সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের লক্ষ্য। শনিবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ও Israel যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়।

    খামেনিসহ শীর্ষ নেতাদের মৃত্যু দাবি

    হামলায় ৩৬ বছর ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা Ayatollah Ali Khamenei নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, এ অভিযানে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খামেনির পাশাপাশি তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন।

    নিহতদের তালিকায় আরও রয়েছেন—

    • খামেনির নিরাপত্তা উপদেষ্টা Ali Shamkhani

    • সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল Abdul Rahim Mousavi

    • প্রতিরক্ষামন্ত্রী Aziz Nasirzadeh

    • বিপ্লবী গার্ড কোর (Islamic Revolutionary Guard Corps)-এর প্রধান Mohammad Pakpour

    নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত

    ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তিনি আলোচনায় রাজি হয়েছেন।

    The New York Times-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের নেতৃত্বে কে আসতে পারেন—সে বিষয়ে তাঁর কাছে তিনটি শক্তিশালী বিকল্প রয়েছে। তবে ‘কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত’ তিনি নাম প্রকাশ করবেন না।

    সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য

    এর আগে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেন, ইরানে এই হামলার লক্ষ্য ছিল সরকার পরিবর্তন। নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে শীর্ষ নেতৃত্বকে হত্যা করার ঘটনাকে সেই কৌশলেরই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের মতো একটি দেশে দ্রুত সরকার পরিবর্তন করা সহজ হবে না। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

  • বাহরাইনে ইরানের হামলা, তেহরানেও বিস্ফোরণ-আঞ্চলিক উত্তেজনা চরমে

    বাহরাইনে ইরানের হামলা, তেহরানেও বিস্ফোরণ-আঞ্চলিক উত্তেজনা চরমে

    বাহরাইনে ইরানের হামলা, তেহরানেও বিস্ফোরণ-আঞ্চলিক উত্তেজনা চরমে

    মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদিকে বাহরাইনে ইরানের হামলার খবর এসেছে, অন্যদিকে তেহরানের কেন্দ্রস্থলসহ একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

    রোববার (০১ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    বাহরাইনে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ

    বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী Manama–তে অবস্থিত Crowne Plaza Bahrain হোটেলকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

    এর আগের দিন বাহরাইন কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। ওই হামলায় মানামার অন্তত তিনটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়।

    তেহরানের কেন্দ্রস্থলে হামলা

    এদিকে ইরানের রাজধানী Tehran–এর কেন্দ্রস্থলসহ সাতটি স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। আগে রাজধানীর আশপাশে হামলার ঘটনা ঘটলেও এবার শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকাও থাকতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কোনো সামরিক স্থাপনা নাকি সরকারি দপ্তর লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয়েছে—তা স্পষ্ট নয়। ধারণা করা হচ্ছে, বড় হোটেল ও শপিংমলের আশপাশের এলাকাগুলোও হামলার আওতায় এসেছে।

    বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সংঘাত এখন তাদের বসতবাড়ির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। অনিশ্চয়তার কারণে অনেকেই খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুত করতে শুরু করেছেন।

    খামেনির মৃত্যুর দাবি ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    এদিকে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো সরকারি ঘোষণা এখনো স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়নি।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf বলেন, দেশ যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। তিনি উল্লেখ করেন, নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পূর্বপরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu–এর সমালোচনা করেন।

    ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা Islamic Republic News Agency (আইআরএনএ) জানিয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী নতুন সর্বোচ্চ নেতা মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট Masoud Pezeshkian, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহকে নিয়ে গঠিত একটি কাউন্সিল সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

    ইরানের সংবিধান অনুসারে, বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) নতুন নেতা নির্বাচিত না করা পর্যন্ত এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

    আঞ্চলিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

    সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা, সামরিক স্থাপনার ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য আঞ্চলিক বিস্তারের আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে-তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

  • ফেব্রুয়ারিতে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

    ফেব্রুয়ারিতে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স

    ফেব্রুয়ারিতে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স, অর্থনীতিতে ইতিবাচক সংকেত

    দেশের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ডিসেম্বর ও জানুয়ারির ইতিবাচক ধারার পর ফেব্রুয়ারিতেও ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

    সদ্য সমাপ্ত ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে মোট ৩০২ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এর আগে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার।

    রোববার (১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক–এর মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ কোটি ৭৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

    বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি ২১.৪০ শতাংশ

    গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫২ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ২৪৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বছর ব্যবধানে এই প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ২১ দশমিক ৪০ শতাংশ।

    উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে আসা ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে সরকারি প্রণোদনা, অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রমে নজরদারি বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের আস্থার ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে এই ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।

  • ইরানে হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নিন্দায় উত্তর কোরিয়া

    ইরানে হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নিন্দায় উত্তর কোরিয়া

    ইরানে হামলা ‘অবৈধ আগ্রাসন’: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের নিন্দায় উত্তর কোরিয়া

    ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি এই হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ এবং ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

    রোববার (১ মার্চ) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা Korean Central News Agency (কেসিএনএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

    ‘গ্যাংস্টার-সদৃশ আচরণ’-পিয়ংইয়ংয়ের মন্তব্য

    প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ছিল ‘প্রত্যাশিত’। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আচরণকে ‘আধিপত্যবাদী ও গ্যাংস্টার-সদৃশ’ বলে মন্তব্য করেন।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসী যুদ্ধনীতি’ আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।

    ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা Ali Larijani। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং সেগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

    তিনি আরও বলেন, ইরান এমন শক্তি দিয়ে জবাব দেবে, যা প্রতিপক্ষ আগে কখনো দেখেনি।

    আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি

    মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার ওপর গভীর প্রভাব পড়তে পারে।

  • সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা

    সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা

    সৌদিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা, রিয়াদে বিমানবন্দর ও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্যবস্তু

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের দিকে আবারও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। লক্ষ্যবস্তু ছিল রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও মার্কিন সেনাদের অবস্থানরত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটি।

    রোববার (১ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।


    রিয়াদে হামলার চেষ্টা, প্রতিহত করার দাবি

    সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে। রাজধানী Riyadh–এর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং মার্কিন সেনাদের অবস্থানরত Prince Sultan Air Base–কে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা চালানো হয়।

    বার্তা সংস্থা Agence France-Presse (এএফপি)–কে একটি সূত্র জানায়, রোববার বিকেলে রিয়াদ বিমানবন্দর ও প্রিন্স সুলতান এয়ারবেসের কাছে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ধ্বংস করা হয়।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় বিমান চলাচলে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। প্রাণহানি বা স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দর সংলগ্ন এক প্রত্যক্ষদর্শী আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের শব্দ ও দৃশ্য দেখার কথা জানিয়েছেন।

  • মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহতের দাবি

    মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহতের দাবি

    মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহতের দাবি

    মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট Mahmoud Ahmadinejad নিহত হয়েছেন—এমন দাবি প্রকাশ করেছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম The Jerusalem Post

    রোববার (১ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানি সংবাদ সংস্থা Iranian Labour News Agency–এর বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর-পূর্ব Tehran–এর নার্নাক এলাকায় আহমেদিনেজাদের বাসভবনে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে তিনি এবং তার কয়েকজন দেহরক্ষী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    তবে এ তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

    উল্লেখ্য, মাহমুদ আহমেদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে তিনি আরদাবিল প্রদেশের গভর্নর এবং তেহরানের মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।