মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলা: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে এমপি আমির হামজার গ্রেপ্তার দাবি হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে নাটকীয় মোড়-রাশিয়া-চীনের ভেটোতে আটকে গেল প্রস্তাব ইরানে কি পারমাণবিক হামলা? স্পষ্ট জবাব দিল হোয়াইট হাউস ছয় একর জমির তরমুজ বিনষ্ট করেছে দূর্বৃত্তরা  বাড়ছে গরম ঘনঘন লোডশেডিং চরম ভোগান্তিতে সাধারণ জনজীবন দেখার কেউ নেই ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটের মোলামগাড়ীহাট বাজার ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ ইসফাহানে মার্কিন বিমান ও দুই ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত এসপির নজরে আসতেই থামলো প্রতারণার খেলা, অবশেষে ভূমিদস্যু প্রতারক কারাগারে

সাত মাসে যত ঋণ এসেছে, তার চেয়ে বেশি শোধ করেছে সরকার

খুলনা (বটিয়াঘাটা) প্রতিনিধিঃ রিপন রায়।
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৪ সময় দেখা হয়েছে

সাত মাসে যত ঋণ এসেছে, তার চেয়ে বেশি শোধ করেছে সরকার

চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে যে পরিমাণ অর্থ এসেছে, তার চেয়েও বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় দেশে মোট ২৬৪ কোটি ১৬ লাখ ডলার বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে। বিপরীতে একই সময়ে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থাকে পরিশোধ করা হয়েছে ২৬৭ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। অর্থাৎ প্রাপ্ত অর্থের তুলনায় প্রায় সাড়ে ৩ কোটি ডলার বেশি শোধ করতে হয়েছে।

ইআরডির তথ্য বলছে, পরিশোধ করা অর্থের মধ্যে আসল ঋণ ছিল প্রায় ১৭৮ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৮৯ কোটি ডলার। অন্যদিকে, সাত মাসে ঋণ হিসেবে পাওয়া গেছে ২৩৯ কোটি ডলার এবং অনুদান হিসেবে এসেছে ২৫ কোটি ডলার।

বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ গত কয়েক বছর ধরেই বাড়ছে। গত অর্থবছরেও চার বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ শোধ করতে হয়েছিল সরকারকে।

প্রতিশ্রুতির পরিমাণ কমেছে

চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ মোট ২২৭ কোটি ডলারের নতুন ঋণ প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২৩৫ কোটি ডলার। অর্থাৎ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ কিছুটা কমেছে।

কারা কত ঋণ ছাড় করেছে

জুলাই-জানুয়ারি সময়ে সবচেয়ে বেশি ঋণ ছাড় করেছে রাশিয়া, যার পরিমাণ ৫৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংক, তারা দিয়েছে ৫৫ কোটি ৫৯ লাখ ডলার। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ছাড় করেছে ৫৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলার।

চীন দিয়েছে ২২ কোটি ডলার এবং ভারত দিয়েছে ১১ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। জাপান থেকে এসেছে ১৮ কোটি ডলার।

তবে এ সময়ের মধ্যে ভারত, চীন, রাশিয়া ও জাপান নতুন করে কোনো ঋণ প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তারা কেবল পূর্বের প্রতিশ্রুত ঋণের অর্থ ছাড় করেছে। একইভাবে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)ও সাত মাসে নতুন কোনো ঋণ প্রতিশ্রুতি দেয়নি।

সার্বিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, বিদেশি ঋণ প্রবাহ অব্যাহত থাকলেও পরিশোধের চাপ সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
সম্পাদক : আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল প্রকাশক: মমতা বেগম পপি উপদেষ্টা সম্পাদক : শেখ অনিন্দ্য মিন্টু ৫১ কংগ্রেস জুবিলি রোড, থানার ঘাট, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০ © All rights reserved © 2026 sodeshkhobor        
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD