মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলা: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে এমপি আমির হামজার গ্রেপ্তার দাবি হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে নাটকীয় মোড়-রাশিয়া-চীনের ভেটোতে আটকে গেল প্রস্তাব ইরানে কি পারমাণবিক হামলা? স্পষ্ট জবাব দিল হোয়াইট হাউস ছয় একর জমির তরমুজ বিনষ্ট করেছে দূর্বৃত্তরা  বাড়ছে গরম ঘনঘন লোডশেডিং চরম ভোগান্তিতে সাধারণ জনজীবন দেখার কেউ নেই ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটের মোলামগাড়ীহাট বাজার ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ ইসফাহানে মার্কিন বিমান ও দুই ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত এসপির নজরে আসতেই থামলো প্রতারণার খেলা, অবশেষে ভূমিদস্যু প্রতারক কারাগারে

সংসদে সমাধান না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ঢাকা থেকে প্রতিবেদন
  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪০ সময় দেখা হয়েছে

বাংলাদেশে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন নিয়ে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক অচলাবস্থার সমাধান জাতীয় সংসদের ভেতরেই হওয়া উচিত বলে মত দিয়েছে বিরোধী দল। তবে সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা।

রোববার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিরোধীদলীয় নেতা ও Shafiqur Rahman এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, নতুন সরকার গঠনের পর সংসদের অধিবেশন শুরু হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন এখনো ডাকা হয়নি। সংসদের প্রথম দিনের কার্যসূচি সীমিত ছিল এবং একটি ইস্যুতে বিরোধী দল ওয়াকআউটও করে। সে সময় তারা বিষয়টি উত্থাপন করলেও তা আলোচনায় আসেনি।

বিরোধীদলীয় নেতা জানান, অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধী দল বিষয়টি আবারও তুলেছে। তিনি বলেন, সংসদে “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ” পুরোপুরি পড়ে শোনানো হলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে এখনো স্পষ্টতা নেই।

শফিকুর রহমান বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—যাঁরা ইতিমধ্যে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন তাঁদের অবস্থান কী হবে, যাঁরা শপথ নেননি তাঁরা কবে শপথ নেবেন, এবং পরিষদের অধিবেশন কবে ডাকা হবে। পাশাপাশি গণভোটের ফলাফল কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে কি না—সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বিষয়টি উত্থাপনের পর সংসদের স্পিকার বলেছেন, নির্দিষ্ট নোটিশ দিলে তা বিবেচনা করে আলোচনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সে অনুযায়ী বিরোধী দল সংসদের ভেতরেই একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ দিতে যাচ্ছে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, “আমরা চাই সমস্যার সমাধান সংসদের ভেতরেই হোক। কিন্তু যদি সেখানে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন না ঘটে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই আমাদের রাজপথে যেতে হবে। যদিও আমরা সেটি চাই না।”

সংবিধান ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের বিষয়টি সংবিধানে সরাসরি উল্লেখ ছিল না এবং তা একটি প্রেসিডেনশিয়াল আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। তাঁর মতে, একই আদেশের এক অংশকে মানা আর অন্য অংশকে না মানা হলে তা সাংবিধানিক দ্বৈত মানদণ্ডের প্রশ্ন তুলতে পারে।

শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়া হয়েছে এবং সেটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, “জনমতই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংবিধান।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গণভোটের সময়সূচি নিয়ে বিরোধী দলের প্রস্তাব ছিল আগে আয়োজন করার, আর সরকারের প্রস্তাব ছিল নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা। শেষ পর্যন্ত সরকারের প্রস্তাবই বাস্তবায়িত হয়েছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে বিরোধী দলের আপত্তি বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হিসেবে সামনে এসেছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
সম্পাদক : আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল প্রকাশক: মমতা বেগম পপি উপদেষ্টা সম্পাদক : শেখ অনিন্দ্য মিন্টু ৫১ কংগ্রেস জুবিলি রোড, থানার ঘাট, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০ © All rights reserved © 2026 sodeshkhobor        
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD