ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত প্রত্যাশার তুলনায় কঠিন হয়ে উঠেছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইসরায়েল–এর অস্ত্র মজুত কমে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শনিবার জানিয়েছে, ইসরায়েলের কাছে আনুমানিক ১৫ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের জরুরি অস্ত্র বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্যাকেজে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি লজিস্টিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা না করেই সরাসরি ইসরায়েলে পাঠানোর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইসরায়েল সরকারের কাছে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি বিশেষ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্যাকেজে বিএলইউ–১১০এ/বি বোমাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করবে।
এদিকে ইরান–এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলারও ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শনিবার রাতেই ইরানের ওপর ‘এ যাবৎকালের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ চালানো হতে পারে।
তিনি জানান, সম্ভাব্য এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব স্থাপনা ব্যাপকভাবে অকার্যকর করে দেওয়াই হবে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, ইরান বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি–এর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত প্রত্যাশার তুলনায় কঠিন হয়ে উঠেছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ইসরায়েল–এর অস্ত্র মজুত কমে যাওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে অস্ত্র পাঠানোর অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শনিবার জানিয়েছে, ইসরায়েলের কাছে আনুমানিক ১৫ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের জরুরি অস্ত্র বিক্রির সম্ভাব্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্যাকেজে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্রের পাশাপাশি লজিস্টিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব কংগ্রেসের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা না করেই সরাসরি ইসরায়েলে পাঠানোর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইসরায়েল সরকারের কাছে দ্রুত অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি বিশেষ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। এই প্যাকেজে বিএলইউ–১১০এ/বি বোমাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোরদার করবে।
এদিকে ইরান–এর বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলারও ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শনিবার রাতেই ইরানের ওপর ‘এ যাবৎকালের বৃহত্তম বোমাবর্ষণ কর্মসূচি’ চালানো হতে পারে।
তিনি জানান, সম্ভাব্য এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এসব স্থাপনা ব্যাপকভাবে অকার্যকর করে দেওয়াই হবে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
স্কট বেসেন্ট আরও বলেন, ইরান বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি–এর ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
















