সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলা: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে এমপি আমির হামজার গ্রেপ্তার দাবি হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে নাটকীয় মোড়-রাশিয়া-চীনের ভেটোতে আটকে গেল প্রস্তাব ইরানে কি পারমাণবিক হামলা? স্পষ্ট জবাব দিল হোয়াইট হাউস ছয় একর জমির তরমুজ বিনষ্ট করেছে দূর্বৃত্তরা  বাড়ছে গরম ঘনঘন লোডশেডিং চরম ভোগান্তিতে সাধারণ জনজীবন দেখার কেউ নেই ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটের মোলামগাড়ীহাট বাজার ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ ইসফাহানে মার্কিন বিমান ও দুই ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত এসপির নজরে আসতেই থামলো প্রতারণার খেলা, অবশেষে ভূমিদস্যু প্রতারক কারাগারে

অন্তর্বর্তী সরকারের ২০ অধ্যাদেশ অনুমোদন নয়, ৯৮টি হুবহু বিল আকারে আনার সুপারিশ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫ সময় দেখা হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ২০টি অধ্যাদেশ চলতি সংসদ অধিবেশনে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগসহ চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ এখনই বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করে ভবিষ্যতে আরও যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী করে নতুনভাবে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন। প্রতিবেদনে জানানো হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি হুবহু বিল আকারে সংসদে উত্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ রয়েছে, যেমন শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের কল্যাণ, স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা এবং দায়মুক্তি সংক্রান্ত আইন।

সংবিধান অনুযায়ী, কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে তা কার্যকারিতা হারায়। সেই হিসেবে আলোচিত ২০টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময় শেষে বাতিল হয়ে যাবে।

যে চারটি অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো হলো সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫, এর সংশোধনী অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত একটি অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান। বিচার বিভাগে নিয়োগ ও প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের উদ্দেশ্যে এসব অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল।

অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গণভোট, গুম প্রতিরোধ, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংকসহ ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ এখনই পাস না করে পরে আরও পর্যালোচনা করে শক্তিশালী করার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, শ্রম আইন, পুলিশ কমিশনসহ ১৫টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে সংসদে আনার কথা বলা হয়েছে, যদিও কী ধরনের সংশোধন আনা হবে তা প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি।

এই পুরো প্রক্রিয়ায় কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর তিন সদস্য ভিন্নমত দিয়েছেন। বিশেষ করে বিচার বিভাগ ও মানবাধিকার সম্পর্কিত অধ্যাদেশগুলোতে তাদের আপত্তি রয়েছে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ গত ১২ মার্চ সংসদে উপস্থাপন করা হয় এবং সেগুলো পর্যালোচনার জন্য সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির এই প্রতিবেদন অনুযায়ী এখন অধ্যাদেশগুলো নিয়ে সংসদে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
সম্পাদক : আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল প্রকাশক: মমতা বেগম পপি উপদেষ্টা সম্পাদক : শেখ অনিন্দ্য মিন্টু ৫১ কংগ্রেস জুবিলি রোড, থানার ঘাট, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০ © All rights reserved © 2026 sodeshkhobor        
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD