সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলা: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে এমপি আমির হামজার গ্রেপ্তার দাবি হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে নাটকীয় মোড়-রাশিয়া-চীনের ভেটোতে আটকে গেল প্রস্তাব ইরানে কি পারমাণবিক হামলা? স্পষ্ট জবাব দিল হোয়াইট হাউস ছয় একর জমির তরমুজ বিনষ্ট করেছে দূর্বৃত্তরা  বাড়ছে গরম ঘনঘন লোডশেডিং চরম ভোগান্তিতে সাধারণ জনজীবন দেখার কেউ নেই ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটের মোলামগাড়ীহাট বাজার ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ ইসফাহানে মার্কিন বিমান ও দুই ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত এসপির নজরে আসতেই থামলো প্রতারণার খেলা, অবশেষে ভূমিদস্যু প্রতারক কারাগারে

নারায়ণগঞ্জের অংশে যানবাহনের চাপ কম, তবে কাউন্টারে ভিড় রয়ে গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,
  • আপডেটের সময়: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৩ সময় দেখা হয়েছে

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে যানবাহনের চাপ তুলনামূলক কম দেখা গেছে। বুধবার সকালেই সরেজমিনে মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, সড়কে গাড়ির সংখ্যা কম থাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ও দ্রুতগতির। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কোনো যানজট নেই, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতা এবং লম্বা ঈদের ছুটির কারণে অনেক যাত্রী আগেই গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

মেঘনা টোল প্লাজার ১২টি বুথে গাড়ি থেকে টোল আদায় করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চালকদের নির্দিষ্ট লেনে চলাচলে উৎসাহিত করার জন্য মাইকিং চালানো হচ্ছে। মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ থাকাও যানজট কম থাকার একটি বড় কারণ। মেঘনা টোল প্লাজার কর্মকর্তা আলীফ মাহমুদ বলেন, “এবারের ঈদে গাড়ির চাপ কম। মালবাহী ট্রাক চলাচল না থাকায় মহাসড়কে যান চলাচল দ্রুত হচ্ছে।”

টোল প্লাজার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মনির হোসেন জানান, সকালেও কিছুটা চাপ থাকলেও মহাসড়ক এখন ফাঁকা। কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক বিষ্ণু পদ শর্মা বলেন, “যাত্রীদের অনেকেই আগেই বের হয়েছেন। যারা এখনও আছেন, তারা ধীরে ধীরে বাড়ি যাচ্ছেন। সড়কের অবস্থা ভালো এবং পুলিশি তৎপরতা থাকায় বড় ধরনের যানজট নেই। তবে গার্মেন্টস ছুটি শুরু হলে কিছুটা চাপ বাড়তে পারে।”

যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন। সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড ও শিমরাইল এলাকায় গাড়ি না আসায় অনেক যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফোম কারখানায় কাজ করা রুবেল মিয়া জানান, তাঁর গাড়ি সকাল ৮টায় ছাড়ার কথা ছিল, দেড় ঘণ্টা পরও আসেনি। তাঁকে যাত্রীপ্রতি ৬০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়েছে, যা সাধারণ সময়ের ৫০০ টাকার চেয়ে বেশি।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সালাউদ্দিন বলেন, তিনি গ্রামে যাচ্ছেন বোন ও দুই ভাগনিসহ। নীলাচল পরিবহনের টিকিট থাকলেও গাড়ি তখনও আসেনি। সাইনবোর্ডে হিমাচল পরিবহন কাউন্টারের ব্যবস্থাপক আবদুল জলিল জানাচ্ছেন, ঢাকা থেকে গাড়ি ছেড়ে আসতে দেরি হচ্ছে। জ্বালানি তেল সংগ্রহ ও অন্যান্য কারণে গাড়ি দেরি করছে। তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীপ্রতি ভাড়া ৫০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মোটের উপর, মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক থাকলেও যাত্রীদের জন্য কাউন্টার ও টোল প্লাজায় অপেক্ষা এবং বাড়তি ভাড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। ঈদযাত্রার পিকের আগেই সঠিক সমন্বয় এবং সময়মতো গাড়ি ছেড়ে দেওয়া না হলে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
সম্পাদক : আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল প্রকাশক: মমতা বেগম পপি উপদেষ্টা সম্পাদক : শেখ অনিন্দ্য মিন্টু ৫১ কংগ্রেস জুবিলি রোড, থানার ঘাট, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০ © All rights reserved © 2026 sodeshkhobor        
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD