রয়টার্স, এপি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলী লারিজানি ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। প্রথম দিকে তার অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে ইরানি গণমাধ্যম তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে।
এই প্রেক্ষাপটে তেহরানে রাতভর হামলার খবর সামনে আসায় ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েল ইরানের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে চাপ আরও বাড়াচ্ছে। যদিও ইসমাইল খতিবকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়ে স্বাধীনভাবে পূর্ণ যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি, ঘটনাটি দুই দেশের চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই অংশটি উপলব্ধ প্রতিবেদনগুলোর ভিত্তিতে বিশ্লেষণাত্মক মূল্যায়ন।
আলী লারিজানি ছিলেন ইরানের রাজনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। তিনি পার্লামেন্টের স্পিকার, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের শীর্ষ দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং পরমাণু আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর মৃত্যু ইরানের ক্ষমতার ভেতরের ভারসাম্যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
একই সময়ে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যা সংঘাতকে তেহরান-তেল আবিব সীমা ছাড়িয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংকটে রূপ দিচ্ছে। জ্বালানি বাজার, উপসাগরীয় নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক তৎপরতায় এর প্রভাব ইতোমধ্যে দেখা যাচ্ছে।
এখন পর্যন্ত ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিবের অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত সরকারি ঘোষণা সামনে আসেনি। ফলে ঘটনাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি এখনও অনিশ্চিত: হামলা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার ফল কী, এবং এর জবাবে তেহরান কী পদক্ষেপ নেয়।