মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টার মামলা: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে এমপি আমির হামজার গ্রেপ্তার দাবি হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে নাটকীয় মোড়-রাশিয়া-চীনের ভেটোতে আটকে গেল প্রস্তাব ইরানে কি পারমাণবিক হামলা? স্পষ্ট জবাব দিল হোয়াইট হাউস ছয় একর জমির তরমুজ বিনষ্ট করেছে দূর্বৃত্তরা  বাড়ছে গরম ঘনঘন লোডশেডিং চরম ভোগান্তিতে সাধারণ জনজীবন দেখার কেউ নেই ভূরুঙ্গামারীতে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত শিক্ষকদের পুনর্বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন জয়পুরহাটের মোলামগাড়ীহাট বাজার ইজারায় অনিয়মের অভিযোগ ইসফাহানে মার্কিন বিমান ও দুই ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ভূপাতিত এসপির নজরে আসতেই থামলো প্রতারণার খেলা, অবশেষে ভূমিদস্যু প্রতারক কারাগারে

সুন্দরবনে গোলপাতা আহরণে অনিশ্চয়তা: বিপাকে হাজারো বাওয়ালি

খুলনা রেঞ্জ | সুন্দরবন উপকূল
  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৯ সময় দেখা হয়েছে

৩ মার্চ থেকে সুন্দরবনে গোলপাতা সংগ্রহের উৎসব শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নৌকার ‘মাপ’ নিয়ে বন বিভাগের কড়াকড়িতে থমকে গেছে সব প্রস্তুতি। বছরের এই বিশেষ মৌসুমের আশায় লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এখন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন উপকূলীয় জনপদের বাওয়ালিরা।

বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, গোলপাতা সংগ্রহের নৌকার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা হতে হবে ১,০০০ মণ (১৮৬ কুইন্টাল)। কিন্তু খুলনা রেঞ্জের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তাদের পরিমাপে দেখা গেছে, অধিকাংশ নৌকাই এই নির্ধারিত সীমার চেয়ে অনেক বড়।

কেন এই কড়াকড়ি? বন কর্মকর্তাদের মতে, অতীতে অনেকে ৫০০ মণের রাজস্ব দিয়ে বড় নৌকায় ১৫০০-২০০০ মণ পাতা বহন করতেন। এমনকি পাতার নিচে লুকিয়ে বনের মূল্যবান কাঠ পাচারের অভিযোগও রয়েছে। সুন্দরবন রক্ষায় এবার তাই নিয়মের কোনো ছাড় দিতে নারাজ কর্তৃপক্ষ।

বাওয়ালিদের দাবি, প্রতিটি নৌকা প্রস্তুত করতে গড়ে প্রায় ২ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। বাওয়ালি ফেডারেশনের তথ্যমতে, এই মৌসুমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

  • বাওয়ালিদের প্রশ্ন: গত বছর একই নৌকায় অনুমতি মিললেও এবার কেন বাধা?

  • ক্ষোভ: গত জুন মাসে যখন নৌকার পাস নবায়ন করা হলো, তখনই কেন মাপ নেওয়া হলো না?

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান জানান, সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়মের বাইরে কিছুই করা হবে না। অন্যদিকে, পরিবেশবাদীরাও বনের ওপর চাপ কমাতে এই কঠোর অবস্থানের পক্ষেই মত দিয়েছেন।

  • অনুমতির সময়: ৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত (২৮ দিন)।

  • নির্ধারিত সীমা: সর্বোচ্চ ১,০০০ মণ ধারণক্ষমতার নৌকা।

  • বিপাকে: প্রায় ১০ হাজার মানুষ যারা এই পেশার ওপর নির্ভরশীল।


আপনার কি মনে হয়? সুন্দরবন রক্ষার স্বার্থে বন বিভাগের এই কঠোর সিদ্ধান্ত কি সঠিক, নাকি বাওয়ালিদের জীবনজীবিকার কথা ভেবে কিছুটা ছাড় দেওয়া উচিত ছিল?

আপনার মতামত কমেন্টে জানান। 👇

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
সম্পাদক : আসাদুজ্জামান আকন্দ জুয়েল প্রকাশক: মমতা বেগম পপি উপদেষ্টা সম্পাদক : শেখ অনিন্দ্য মিন্টু ৫১ কংগ্রেস জুবিলি রোড, থানার ঘাট, সদর, ময়মনসিংহ-২২০০ © All rights reserved © 2026 sodeshkhobor        
ESAITBD Sof-Lab UAE/BD